পাকিস্তান আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক। সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার নীতি লঙ্ঘন করে। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে তোপ দাগল ভারত। একইসঙ্গে নয়াদিল্লির প্রতি ইসলামাবাদের ‘হিংসার ইতিহাস’ও তুলে ধরে ভারত।
সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক বিতর্কসভা ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি। সভায় পাকিস্তানের তরফে জম্মু ও কাশ্মীর এবং সিদ্ধু জলচুক্তির প্রসঙ্গ উত্থাপন করা হয়। জবাবে পার্বথানেনি বলেন, “পাকিস্তান ভিত্তিহীন এবং অযাচিত মন্তব্য করছে। ভারত প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে চায়। স্বাধীন ভারতের যাত্রা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে। সন্ত্রাসবাদকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার এবং হাজারো আঘাতে ভারতের রক্ত ঝরানোর মতো নীতি পাকিস্তানের দ্বিচারিতাকেই সামনে এনে দিয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের সনদের প্রতি প্রতিশ্রুতির কথা বললেও পাকিস্তানের কর্মকাণ্ড অন্য কিছুই প্রমাণ করে।”
তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ থেকে আত্মরক্ষা করার সম্পূর্ণ অধিকার ভারতের রয়েছে। পাকিস্তানকে মেনে নিতে হবে যে তারা আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকে পরিণতি হয়েছে।” পার্বথানেনির কথায়, "পাকিস্তানের সৃষ্টিলগ্ন থেকেই সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় চরমপন্থা, মৌলবাদ এবং ভারত-বিরোধী বক্তব্যের মতো অশুভ শক্তিগুলিকে কাজে লাগানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এ সংক্রান্ত বহু প্রমাণ রয়েছে। কোনও ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।" প্রসঙ্গত, ইতিহাসের পাতা ওলটালে দেখা যাবে, ভারতের বিরুদ্ধে পাক সেনার একটাই মতবাদ ছিল - ‘হাজারো আঘাতে ভারতের রক্ত ঝরানো'। পার্বথানেনি ঠিক একথাই মনে করিয়ে ইসলামাবাদের নিন্দায় সরব হলেন।
