মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই ইরানের প্রস্তাবিত শান্তির চুক্তির নতুন খসড়া সামনে এসেছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, নয়া প্রস্তাবে বিশেষভাবে দাবি করা হয়েছে যে ইরানের আশপাশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্য়াহার করতে হবে। পাশাপাশি হরমুজে মার্কিন দাদাগিরি চলবে না। বিনিময়ে বিশ্বের জ্বালানির ধমনীতে আগের মতো নৌচলাচল স্বাভাবিক হবে। ইরানের তরফে শান্তি চুক্তির প্রস্তাবগুলি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, মুখোমুখি বৈঠক, টেলিফোনে কথা, উভয়পক্ষে একাধিক প্রস্তাব দেওয়ার পরেও ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষের ধিকিধিকি আগুন নেভেনি। সোমবার নতুন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রাগারে এবং ইরান রেভোলিউশনারি গার্ডের একটি নৌকায় হামলা চালায় আমেরিকা। এই হামলায় চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মার্কিন সেনার তরফে জানানো হয়, আত্মরক্ষায় এই হামলা চালানো হয়েছে। কারণ ওই নৌকাগুলি সমুদ্রের তলদেশে মাইন পোঁতার কাজ করছিল। ওই ঘটনার পরেই গুলি করে মার্কিন ড্রোন নামায় আইআরজিসি। পাশাপাশি একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্য করেও গুলি চালায় ইরানের সেনা। তেহরান দাবি করে, ইরানের আকাশে ঢোকার চেষ্টা করছিল ওই ড্রোন এবং বিমানটি।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘর্ষবিরতির শর্ত হিসাবে ইরান দাবি করেছে, তারা যুদ্ধের আগের পর্যায় ফিরিয়ে দেবে হরমুজকে। বিনিময়ে ইরানের আশপাশ থেকে মার্কিন সেনার যাবতীয় গতিবিধি বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও হরমুজের একপ্রান্তে যে মার্কিন পাহারাদির চলছে, তা তুলে নিতে হবে। যাতে করে বন্ধু দেশগুলির জাহাজ নির্বিঘ্নে ইরানি বন্দরে পৌঁছতে পারে, পালটা ইরানি জাহাজগুলিও নিজের গন্তব্যে পৌঁছতে পারে। এখন প্রশ্ন হল, আমেরিকা কি এই শর্ত মেনে নেবে?
