shono
Advertisement

Breaking News

Pacific Command

গুরুত্বহীন কোয়াড! মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ডে সরল ‘ইন্দো’, কাশ্মীরের বিকৃত মানচিত্র আমেরিকার

নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, 'কোয়াডের কফিনে আরও একটি পেরেক পড়ল।' বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কোয়াডের মূল ভিত্তিই হল ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ধারণা। সেখানে ইন্দো নামটি বাদ গেলে স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে কোয়াড। 'ইন্দো' শুধু ভৌগলিক নয়, কৌশলগত গুরুত্বেরও প্রতীক।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 03:31 PM Jun 17, 2026Updated: 03:31 PM Jun 17, 2026

মার্কিন ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড’ থেকে সরানো হল ‘ইন্দো’ শব্দটি। সম্প্রতি আমেরিকার যুদ্ধ মন্ত্রকের তরফে এমনটাই ঘোষণা করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, ‘ভারতীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড’-এর আগে যে নাম ছিল ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড’ সেটিকেই পুনর্বহাল করা হচ্ছে। অর্থাৎ সরানো হচ্ছে 'ইন্দো' শব্দটি। আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও কৌশলগত মঞ্চ ‘কোয়াড’ বা ‘চতুর্দেশীয় অক্ষ’ গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, কমান্ড তাদের ওয়েবসাইটে কাশ্মীরের বিকৃত মানচিত্রও প্রদর্শন করেছে বলে খবর। যেখানে অধিকৃত কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসাবে দেখানো হয়েছে। এরপর বিতর্ক আরও বেড়েছে।

Advertisement

বৃহত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর যাবতীয় কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে এই কম্যান্ড। ২০১৮ সালে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড’-এর নাম বদলে ‘ভারতীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড’ করেছিল আমেরিকা। নাম পরিবর্তনের কারণ হিসাবে সেই সময় ওয়াশিংটন যুক্তি দিয়েছিল, এর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ছবিকে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। ২০১৭ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফরের মোদি-ট্রাম্পের যৌথ বিবৃতিতে প্রথম ‘ভারতীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড’ শব্দবন্ধটি প্রকাশ্যে আসে। এর এক বছরের মধ্যেই কমান্ডের নাম পরিবর্তিন করে আমেরিকা।  

কিন্তু আট বছরের মধ্যেই ফের তার নাম বদল করা হল। সরানো হল ‘ইন্দো’ শব্দটি। মার্কিন যুদ্ধ মন্ত্রক জানিয়েছে, কমান্ডের ঐতিহাসিক পরিচিতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত। যদিও মার্কিন আধিকারিকরা স্পষ্ট করেছেন, নাম পরিবর্তনের ফলে এই কমান্ডের পরিচালনগত ভূমিকা, কৌশলগত লক্ষ্য বা ভৌগোলিক কর্মপরিধির কোনও পরিবর্তন হবে না।

এদিকে নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, 'কোয়াডের কফিনে আরও একটি পেরেক পড়ল।' বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কোয়াডের মূল ভিত্তিই হল ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ধারণা। সেখানে ইন্দো নামটি বাদ গেলে স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে কোয়াড। 'ইন্দো' শুধু ভৌগলিক নয়, কৌশলগত গুরুত্বেরও প্রতীক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement