আমেরিকার ত্রাণের অর্থ আল কায়দা এবং অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনগুলির পকেটে ঢুকছে। জেহাদিদের ‘পর্দা ফাঁস’ করে এমনটাই বললেন টেসলা কর্তা এলন মাস্ক। এরপরই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার মার্কিন ত্রাণ সংস্থার একটি অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন মাস্ক। তাদের অভিযোগ ছিল, সিরিয়ায় ত্রাণের অর্থে কেনা মানবিক সাহায্য জঙ্গিদের হাতে চলে যায়। যার নেপথ্যে ছিলেন মাহমুদ আল হাফিয়ান নামে সিরিয়ার একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি। আনুমানিক প্রায় ৯ মিলিয়ন ডলারের খাদ্য সহায়তা তিনি আল-কায়দা ঘনিষ্ঠ ‘আল নুসরা’ নামে একটি ফ্রন্টের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। ওই অর্থ মানবিক সাহায্য হিসাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু ভুয়ো নথি তৈরি করে মাহমুদ খাদ্য সামগ্রীর কালোবাজারে বিক্রি করেন। এরপর সেগুলির একাটা বিরাট অংশ সশস্ত্র গোষ্ঠীটির হাতে চলে যায়। এই অভিযোগ সামনে এনে টেসলা কর্তা মার্কিন ত্রাণের ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মার্কিন করদাতাদের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তা কঠোরভাবে যাচাইয়ের দরকার।
এখানে বলে রাখা ভালো, মার্কিন ত্রাণ সরাসরি কোনও সন্ত্রাসী সংগঠনের হাতে চলে যাচ্ছে এমনটা নয়। ত্রাণের অর্থের অপব্যবহারে সেগুলি জঙ্গি সংগঠনের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন ত্রাণ সংস্থা একটি সরকারি সংস্থা। এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তা করে। এই ঘটনার পর সংস্থার তহবিলের নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়ে আমেরিকায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।
