বুধবার ইরান-আমেরিকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার উপর পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতি যুদ্ধ নিয়ে দু’দেশের ভবিষ্যত কী? সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ কি বাড়ানো হবে? মুখ খুললেন মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রাক্তন প্রধান ডেভিড এইচ পেট্রিয়াস।
সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে পেট্রিয়াস দাবি করেন, দু’দেশের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়তে পারে। তিনি বলেন, “আমেরিকা আলোচনায় বসতে আগ্রহী। কিন্তু তার আগে ইরানকে দু’টি শর্ত মানতে হবে। প্রথমত, হরমুজে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করতে হবে তেহরানকে। দ্বিতীয়ত, সে দেশে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার হাতে তুলে দিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “যদি ইরান শর্ত মানতে রাজি না হয়, তাহলে আমেরিকা হরমুজে কিছুটা বল প্রয়োগ করতে পারে। অন্যদিকে, ইরানও ছেড়ে কথা বলবে না। তারাও পালটা জবাব দেবে। ফলে আগামী দিনে পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” প্রসঙ্গত, আমেরিকা ইরানকে যে দশ দফার শর্ত দিয়েছিল, তার মধ্যেই ছিল হরমুজে নিয়ন্ত্রণ শিথিল এবং ইউরেনিয়াম সৃদ্ধকরণ বন্ধ। কিন্তু ইরান তাতে রাজি হয়নি।
এদিকে সূত্রের খবর, মঙ্গলবারই দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে রওনা দেবেন মার্কিন উপ রাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স। এবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তবে তিনি আলোচনায় সশরীরে না কি ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দ্বিতীয় দফার বৈঠকে ইরানের যোগদান নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে। সোমবার ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরান পরবর্তী পর্বের আলোচনায় যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
