চৈত্র শেষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে বঙ্গজীবন। সামনেই নতুন বাংলা বছর। পঞ্জিকা মতে, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করলেই সূচিত হবে নববর্ষ। কিন্তু নতুন বছরের আনন্দ কি সবার ঘরে সমান ভাবে পৌঁছবে? জ্যোতিষ গণনা বলছে অন্য কথা। আগামী বছরে শনির কুদৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল হতে পারেন তিন রাশির জাতকরা। কর্মফলের দেবতার ফেরে ভাগ্যাকাশে জমতে পারে দুর্যোগের মেঘ।
ফাইল ছবি
বাংলা নববর্ষে শনির কুদৃষ্টি
বৈদিক জ্যোতিষে শনির স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শনি দেব যখন অশুভ অবস্থানে থাকেন, তখন জাতকের জীবনে একের পর এক সমস্যা দানা বাঁধে। বিশেষ করে শনির সাড়ে সাতি দশাকে সাধারণ মানুষ যমের মতো ভয় পান। কারণ এই দশা একবার শুরু হলে দীর্ঘ সাড়ে সাত বছর পিছু ছাড়ে না। জীবন বিপর্যস্ত করে তোলে নানা বাধা আর বিপত্তি। নতুন বাংলা বছরেও এই শনির গেরো থেকে মুক্তি নেই তিন রাশির।
কোন ৩ রাশির বিপদ?
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, বর্তমানে শনিদেব মীন রাশিতে অবস্থান করছেন। শনি অত্যন্ত ধীর গতির গ্রহ। একটি রাশিতে তিনি প্রায় আড়াই বছর থাকেন। গণনার হিসেবে দেখা যাচ্ছে, পুরো ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ জুড়েই শনি মীন রাশিতেই বিরাজ করবেন। নিয়ম অনুযায়ী, শনি যে রাশিতে থাকেন এবং তার আগের ও পরের রাশিতে সাড়ে সাতি দশা চলে। সেই সূত্র মেনে নতুন বছরেও কুম্ভ, মীন ও মেষ রাশির জাতকরা শনির সাড়ে সাতির কবলে থাকবেন।
ফাইল ছবি
বছরশেষে বদলাবে সমীকরণ?
নতুন বছরে কুম্ভ রাশির জাতকদের সাড়ে সাতি দশার শেষ পর্যায় চলবে। মীন রাশিতে থাকবে এই দশার দ্বিতীয় পর্যায়। আর মেষ রাশির জাতকদের ওপর চলবে সাড়ে সাতির প্রথম পর্যায়ের প্রভাব। অর্থাৎ বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই তিন রাশির জীবনে মানসিক চাপ ও বাধার যোগ প্রবল। তবে এখনই আশাহত হওয়ার কারণ নেই। ২০২৭ সালের জুন মাসে শনি মীন রাশি ত্যাগ করে মেষ রাশিতে প্রবেশ করবে। তখনই একমাত্র কুম্ভ রাশির জাতকরা এই দীর্ঘস্থায়ী কষ্টের হাত থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাবেন। ততদিন পর্যন্ত সাবধানে পা ফেলাই শ্রেয়।
