বিচারের নামে প্রহসন! আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস-সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করল চট্টোগ্রামের আদালত। মহম্মদ ইউনুসের অন্তবর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় ধরে ইসকনের নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ বাংলাদেশে জেলবন্দি রয়েছেন। তাঁর মুক্তির দাবিতে পদ্মাপাড়ে আন্দোলনও হয়েছিল। সেই আন্দোলনের সময় আইনজীবী খুন হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। চিন্ময় প্রভু জেলে থাকলেও ওই ঘটনায় তাঁর নাম অভিযুক্তদের তালিকায় রাখা হয়। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে। চিন্ময়কৃষ্ণের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে হয়েছে আন্দোলন। সেই আঁচ ছড়িয়ে পড়েছিল এবার বাংলাতেও।
সোমবার সকাল সাড়ে ন'টার কিছু পরে অভিযুক্তদের জেল থেকে আদালতে হাজির করানো হয়। চট্টগ্রামের বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মহম্মদ জাহিদুল হক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। আদালত সূত্রে খবর, সেই দেশের সংশ্লিষ্ট আইনের ৩০২ এবং ১০৯ ধারা অনুযায়ী চিন্ময়কৃষ্ণ-সহ বাকিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই মামলায় অভিযুক্তের সংখ্যা মোট ৩৯ জন। তাঁদের মধ্যে হেফাজতে রয়েছেন ২৩ জন এবং ১৬ জন পলাতক। আদালতের বাইরে এদিন আঁটসাঁট করা হয় নিরাপত্তা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণের জামিন ঘিরে প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় সাইফুল ইসলামের বাবা জামালউদ্দিন ৩১ জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাধা এবং আইনজীবীদের উপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও পাঁচটি মামলা দায়ের হয়।
