বাংলাদেশের মসনদে বসতে না বসতেই আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বিশ্ববিখ্যাত 'টাইম' পত্রিকার প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকায় নাম উঠেছে তাঁর। এমন কৃতিত্বের জন্য জাতীয় সংসদে তাঁকে বিশেষ ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এই অর্জনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শুধু ব্যক্তিগতভাবে নন, বরং পুরো বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে সম্মানিত করেছেন বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম প্রসঙ্গটি উত্থাপন করে সংসদকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘‘টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে আমাদের নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম আসা দেশের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি। তিনি সম্মানিত হওয়া মানে এ দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্মানিত করা। তার এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি আমাদের জাতির জন্য গর্বের।'' চিফ হুইপ তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন। দেশের মানুষ বিপুল ভোটে তাকে বিজয়ী করে সংসদে পাঠিয়েছে। মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।''
শহীদ স্মরণে তারেক রহমান। ছবি: ফেসবুক।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে চিফ হুইপের বক্তব্য, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এই উদ্যোগের দ্রুত বাস্তবায়ন। পয়লা বৈশাখে উদ্বোধন হওয়া এই কার্ডকে কৃষি খাতে একটি ‘যুগান্তকারী বিপ্লব’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের পুরোহিতদের জন্য সম্মানী ও ভাতার ব্যবস্থা করা এবং প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ মকুব-সহ ঋণ সহায়তার সিদ্ধান্ত। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে চিফ হুইপ একটি আবেগঘন কবিতা পাঠ করেন। কবিতার চরণে চরণে তিনি ফুটিয়ে তোলেন কীভাবে প্রধানমন্ত্রী এক ‘ধ্বংসপ্রায় মানচিত্রকে’ বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব কেবল সামনে হাঁটা নয়, বরং অসংখ্য ক্লান্ত মানুষের চোখে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এই অর্জনকে গোটা জাতির অর্জন হিসেবে ঘোষণা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
