অপারেশন সিঁদুরে ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে একঝাঁক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছিল পাকিস্তান। এবার সেই অস্ত্রই কিনতে চাইছে বাংলাদেশ! সূত্রের খবর, ২৪টি চিনা যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে চিনের সঙ্গে চুক্তি করতে পারে বাংলাদেশ। মাসদেড়েকের মধ্যেই এই চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে বলেই শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর প্রথম বিদেশ সফরে চিনে পা রেখেছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার তিনি বৈঠক করতে পারেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে। সেখানেই আলোচনা হবে চিনা যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে। ২৪টি J-10CE যুদ্ধবিমান কিনতে পারে ঢাকা, এমনটাই শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম সূত্রে। উল্লেখ্য, J-10C যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে পাকিস্তানও। অপারেশন সিঁদুরের সময়ে আকাশসীমায় এই যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছিল পাক বায়ুসেনা। জান গিয়েছে, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রোগ্রাম শুরু করেছে বাংলাদেশ। সেকারণেই বায়ুসেনাকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে তারেক প্রশাসন।
ঢাকার এই কর্মকাণ্ডের দিকে নজর রাখছে ভারতও। তারেকের চিন সফর ঘিরে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবেশী তথা পুরনো ‘বন্ধু’ ভারতকে এড়িয়ে তারেকের চিন সফর বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। পদ্মপাড়ে ভারতবিরোধী হাওয়ায় কার্যত বশ্যতা স্বীকার করছেন খালেদাপুত্র। এতো গেল রাজনৈতিক বিষয়। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিচার করতে গেলে, ভারতীয় বায়ুসেনার ইস্টার্ন কমান্ড অন্তত চারটি ফাইটার স্কোয়াড্রন মোতায়েন করে থাকে অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে। যদি চিনা যুদ্ধবিমান কেনে বাংলাদেশ, তাহলেও দেশের পূর্ব সীমান্তে ধারেভারে ভারতই এগিয়ে থাকবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।
তা সত্ত্বেও বাংলাদেশের এই পদক্ষেপের পালটা কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারে ভারত। সম্প্রতি ভারতের সীমান্তের খুব কাছে লালমণিরহাটে বায়ুসেনা ঘাঁটি ফের ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা। চিকেনস নেকের নিকটবর্তী এই ঘাঁটিতে সহায়তা করতে পারে চিনও। উল্লেখ্য, চিন সফর প্রসঙ্গে তারেকের বিদেশ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থে আমাদের যখন যেখানে যাওয়া প্রয়োজন সেখানেই যাব। এবার বায়ুসেনাকে শক্তিশালী করেই দেশে ফিরতে চলেছেন তারেক।
