shono
Advertisement
Sheikh Hasina

দেশে ফিরলেই ফাঁসি কার্যকর! হাসিনার প্রত্যাবর্তন-বার্তায় হুঙ্কার বিএনপির

হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনায় অন্য ষড়য্ন্ত্র দেখছে জামাত। ফাঁসির সাজা চায় এনসিপিও।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:47 PM Jul 11, 2026Updated: 02:47 PM Jul 11, 2026

ফাঁসির সাজা ঘোষণা সত্ত্বেও দেশে ফেরা নিয়ে অকুতোভয় শেখ হাসিনা! এ বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরবেন বলে ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী। এই খবর বাংলাদেশের রাজনৈতিক আঙিনায় নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। নানা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া। সরকারপক্ষের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, দেশে পা রাখলেই তাঁর ফাঁসির সাজা কার্যকর করা হবে।

Advertisement

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা তথা দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে আদালত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের যে রায় দিয়েছে, তা কার্যকর হবে। তাঁর কথায়, “হাসিনা দেশে ফিরবেন কি ফিরবেন না, সেটি তাদের দলীয় বিষয়। তবে জনগণ চায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলার রায় যেন কার্যকর হয়। বর্তমানে আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং সরকার এতে কোনও হস্তক্ষেপ করছে না।”

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা তথা দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে আদালত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের যে রায় দিয়েছে, তা কার্যকর হবে। তাঁর কথায়, “হাসিনা দেশে ফিরবেন কি ফিরবেন না, সেটি তাদের দলীয় বিষয়। তবে জনগণ চায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলার রায় যেন কার্যকর হয়। বর্তমানে আদালত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং সরকার এতে কোনও হস্তক্ষেপ করছে না।”

জামাত-ই-ইসলামির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের পিছনে গভীর কোনও রহস্য বা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “হাসিনার এই ঘোষণার পেছনে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কোনও পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে। আমরা সন্দেহ করছি, বর্তমান সরকারের ভিতরের কোনও অংশ হয়তো আওয়ামি লিগকে পুনরায় রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে।”

সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা জানিয়েছিলেন, পলাতক নেতা-কর্মীদের নিয়ে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের ইচ্ছাপ্রকাশ করার পর থেকেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে পালটা প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ দেখা দিয়েছে। জামাত-ই-ইসলামির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের পিছনে গভীর কোনও রহস্য বা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “হাসিনার এই ঘোষণার পেছনে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কোনও পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে। আমরা সন্দেহ করছি, বর্তমান সরকারের ভিতরের কোনও অংশ হয়তো আওয়ামি লিগকে পুনরায় রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে।” যদিও তার এ ধরনের অভিযোগকে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

গণঅভ্যুথানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ছাত্রদের গঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, “শেখ হাসিনা যদি দেশে ফেরেন, তবে তা কেবল তার মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার জন্যই হবে। একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির কোনও ধরনের সাক্ষাৎকার দেওয়া বা কর্মসূচি ঘোষণার আইনগত অধিকার নেই।” শেখ হাসিনা এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন। সেখান থেকে স্বদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়াও সারা দেশে তাঁর বিরুদ্ধে ৬৬৩টি মামলা চলমান, যাঁর মধ্যে ৪৫৩টিই হত্যা মামলা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement