দাম বাড়তে বাড়তে পৌঁছে গিয়েছে কেজি প্রতি ৪০০ টাকায়। ফলে কাঁচালঙ্কার 'ঝাঁজে' নাজেহাল বাংলাদেশের আমজনতা। এই অবস্থায় 'ড্যামেজ কন্ট্রোলে' পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারত। জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লি ২৯০০ টন কাঁচালঙ্কা পাঠাচ্ছে পড়শি দেশে। শেষবার ভারত থেকে বাংলাদেশে কাঁচালঙ্কা পাঠানো হয়েছিল ২০ নভেম্বর।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত হিলি বন্দর দিয়ে সোমবার থেকেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় কাঁচালঙ্কা রপ্তানি শুরু হয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারী শাহাবুল ইসলাম বলছেন, ‘‘টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লঙ্কা খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন কমেছে। এতে বাজারে সরবরাহ সংকট সৃষ্টি হয়ে কাঁচালঙ্কার দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। এদিকে ভারতের বাজারে কাঁচালঙ্কার দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আমদানির অনুমতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন আমদানিকারীরা। সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর দ্রুত এলসি খুলে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। সহসা ভারতীয় কাঁচালঙ্কা আমদানি শুরু হবে বলে আশা করছি।’
ভারত থেকে লঙ্কা আসার খবরে বাজারে ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, মাত্র একদিনের ব্যবধানে কাঁচা লঙ্কার দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ৯০ টাকা কমেছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচা লঙ্কা বিক্রি হচ্ছে আগের তুলনায় অনেক কম দামে। আমদানি নিয়মিত হলে সরবরাহ আরও বাড়বে। এর ফলে দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সোমবার বিকেলে তিনটি ট্রাকে ২১ মেট্রিক টন কাঁচালঙ্কা হিলি বন্দরে পৌঁছনোর কথা জানা যাচ্ছে। হিলি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার খন্দকার সোলায়মান বলেন, কাঁচালঙ্কা একটি পচনশীল কৃষিপণ্য। তাই আমদানিকৃত চালান যাতে কোনও ধরনের বিলম্ব ছাড়াই বাজারে পৌঁছতে পারে, সে জন্য কাস্টমস অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনুমতি দেবে।
