মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ শপথ নেবেন তিনি তারেক রহমান। তার আগে সোমবার রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদ ছাড়লেন মহম্মদ ইউনুস। এদিন রীতি মাফিক ইস্তফা দিলেন তিনি। এখন প্রশ্ন তাঁর ভবিষ্যৎ কী? এনিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক কেরিয়ার নাকি শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে কাজ, কোন পথ খোলা তাঁর সামনে?
পদত্যাগের আগে নিজের বক্তব্যে ইউনুস বলেন, "আজ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পদত্যাগ করছে বটে। কিন্তু গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকারের যে অনুশীলন শুরু হয়েছে তা যেন বন্ধ না হয়।" যদিও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের শাসনকালেই বাংলাদেশে সব থেকে বেশি করে কট্টরপন্থা মাথাচাড়া দিয়েছিল। সংখ্যালঘুদের উপর একের পর এক হামলা হয়। এমনকী নিশানা করা হয় 'প্রথম আলো', 'ডেইলি স্টারে'র মতো সংবাদপত্রের অফিসকে। ফলে ইউনুসের মুখে 'বাকস্বাধীনতা', 'মৌলিক অধিকারে'র মতো শব্দগুলো মানায় না বলেই ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য।
এদিকে বিএনপি সূত্রে খবর, শপথগ্রহণের আগের দিন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদে ইস্তফা দিয়েছেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ সোমবার এ কথা জানিয়ে বলেন, ‘‘ইতিমধ্যেই বিএনপি প্রধান এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে।’’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবারের শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় ১২০০ দেশি–বিদেশি অতিথি যোগ দিতে পারেন। ভারতের তরফে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন স্পিকার ওম বিড়লা। নতুন মন্ত্রিসভার আকার ৩৫ থেকে ৩৭ সদস্যের হতে পারে। এর মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন। প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে ৯ থেকে ১০ জনকে।
