আগামী বছর ভারত-বাংলাদেশকে এক মঞ্চে এনে নববর্ষ উদযাপনের কথা ভাবছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে তিক্ত অতীত ভুলে মসনদে বসে নয়া কূটনৈতিক সমীকরণ স্থাপন করার চেষ্টা করছেন তারেক।
এদিন একটি সাংবাদিক বৈঠকে জাহেদ বলেন, "এবার বাংলাদেশ শিল্পকলা আকাডেমি পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবের আয়োজন করেছিল। পয়লা বৈশাখ ঘিরে অনেকেই অনেক বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু এবারের মতো স্বতঃস্ফূর্ত এবং বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব খুব কমই হয়েছে। নতুন সরকার দায়িত্বে আসার পর খুব বেশি সময় পাওয়া যায়নি। বৈশাখকে কেন্দ্র করে শুধু তিন-চার দিন নয়, গোটা মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "১৪ এপ্রিল শুধু আমাদের নববর্ষ নয়, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, ভারতের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেও নববর্ষ উদযাপিত হয়। আগামী বছর প্রতিবেশী দেশগুলিকে একমঞ্চে এনে এই উৎসব উদযাপন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখব। প্রতিবেশী দেশগুলির সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিরা আমাদের দেশে আসবেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলব। আমাদের প্রতিনিধিরাও তাঁদের দেশে যাবে।" তাঁর কথায়, "ইরানি বা পারসিক নববর্ষ নওরোজ বহু দেশে উদযাপিত হয় এবং তারা সম্মিলিতভাবে তা পালনের চেষ্টা করে। আমরাও সেরকম একটি উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।"
