বাঁকুড়ায় পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু (Bankura Migrant Labour)। ঘরের মেঝেয় ঢাকা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার দেহ। মাথায় মিলেছে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে যুবককে। খবর পেয়ে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সন্দীপ মুদি। তাঁর বয়স ২৬ বছর। ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন ওই যুবক। দিন কয়েক আগেই খাতড়া ব্লকের দহলা অঞ্চলের বীরখাম গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন তিনি। শনিবার বাড়িতে একাই ছিলেন সন্দীপ। তাঁর বাবা-মা আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। রবিবার সকাল থেকে ছেলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। বিকেলে প্রতিবেশীদের ফোন করে খোঁজ নিতে বলেন। প্রতিবেশীরা বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি।
এরপর মই দিয়ে ছাদে উঠে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে ঘরের ভিতরে উঁকি দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে সন্দীপ। তা আবার ঢাকা দেওয়া অবস্থায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খাতড়া থানার পুলিশ। সন্দীপকে উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে খাতড়া থানার পুলিশ। নেপথ্যে কে বা কারা, কেউ কী খুনের উদ্দেশ্যে ঘরের ভিতরে ঢুকেছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
