Advertisement
উন্মুক্ত ঊর্ধ্বাঙ্গ! প্যারিস ফ্যাশন উইকে মিয়া খালিফা পা রাখতেই হইচই, ভাবমূর্তি ফেরাতে এ কী করলেন!
আধুনিক ও সাহসী ডিজাইনের পোশাকে তাঁকে দেখে মুগ্ধ শোয়ে উপস্থিত দর্শকরা।
মাত্র তিন মাস পর্নদুনিয়ায় ছিলেন। তাতেই জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে গিয়েছিলেন মিয়া খলিফা। পর্নদুনিয়া থেকে অবসর নিয়েও জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। বরং এখনও প্রথম সারির পর্নস্টারের তালিকায় তাঁকে রাখা হয়। গুগলে আজও সবচেয়ে বেশি সার্চ করা পর্ন তারকা তিনিই। কিন্তু মিয়া নিজে জীবনের পথে এগিয়ে গিয়েছেন বহু দূরে। সম্প্রতি প্যারিস ফ্যাশন উইকের মঞ্চে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এ এক অবাক জীবন।
১৯৯৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জন্ম মিয়ার। লেবাননের বেইরুটের মেয়েটির জীবন অল্প বয়স থেকেই খ্যাতি ও বিতর্কের রোলার কোস্টার রাউন্ডে ঘুরপাক খেতে থাকে। ২০১৪ সালে পর্ন দুনিয়ায় পা রাখা। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই সেই জগৎ ছাড়ার সিদ্ধান্ত! আজ তিনি একজন ফ্যাশন আইকন। গত সপ্তাহে প্যারিস ফ্যাশন উইকে তাঁর উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।
শোয়ে মিয়াকে দেখা গেল যে সব পোশাকে, তারই একটিতে প্রায় দৃশ্যমান গোটা স্তনই। কেবল স্তনবৃন্তটুকুই ঢাকা। আর সেই পোশাকেই তাঁকে দেখাচ্ছিল একজন পেশাদার মডেলের মতোই। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ফ্যাশনের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এসেছে মায়ের থেকে।
গত সপ্তাহে Trashy Clothing ব্র্যান্ডের অটাম/উইন্টার শোয়ে রানওয়েতে হাঁটেন মিয়া। তাঁকে এস্টার মানাস, শিয়াপারেলি এবং ম্যাগলারের মতো আধুনিক ও সাহসী ডিজাইনের পোশাকে দেখে মুগ্ধ শোয়ে উপস্থিত দর্শকরা। কেবল মডেল নন, মিয়া এখন ফ্যাশন উদ্যোগপতিও।
সম্প্রতি মিয়া খলিফা Showstudio-র সঙ্গে একটি অদ্ভুত ফটোশুট করেছেন। বিভিন্ন ভঙ্গিমায় তাঁর শরীরের এক্স-রে করা হয়েছে। আর এভাবেই তাঁর নিজের শরীর এবং তাঁর নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘Sheytan’-এর কিছু গয়না প্রদর্শিত হয়েছে। এমন অভিনব ফটোশুট নিয়ে চর্চা হবে সেটাই স্বাভাবিক।
তবে এই সাফল্যের মাঝেও আলোচনায় ফিরে আসে মিয়ার অতীত। পর্ন ইন্ডাস্ট্রির বিরুদ্ধে তিনি বরাবরই সরব। 'নিউ ইয়র্ক টাইমস'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ''আমি দুর্ঘটনাবশত বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলাম। ২০১৪ সালের অক্টোবরে পর্ন দুনিয়ায় পা রাখি। এবং অতি দ্রুত আমাকে একটি ভিডিওয় পর্দানসীন আরব মহিলা হিসেবে পারফর্ম করতে বলা হয়।''
মিয়ার কথায়, ''এর পিছনে উদ্দেশ্যই ছিল আমার আরবিয়ান সত্তাকে তুলে ধরা। যা প্রদর্শিত হওয়ার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। সমস্ত সংবাদমাধ্যমই এটা নিয়ে খবর করে। দেখা যায়, প্রত্যেকেরই এই নিয়ে কিছু না কিছু বলার আছে। আমার ভাবমূর্তিটাই আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে তৈরি হয়ে যায়।'
বলা হয় পর্ন দুনিয়া অল্প দিনেই বিপুল রোজগার করে ফেলেছিলেন মিয়া। কিন্তু এই দাবি মানতে নারাজ তিনি। তাঁর মতে, পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে সাকুল্যে ১২ হাজার ডলার উপার্জন হয়েছিল তাঁর। এবং এরপর থেকে একটি কানাকড়িও তিনি পাননি ওই জগৎ থেকে।
Published By: Biswadip DeyPosted: 09:41 PM Mar 13, 2026Updated: 09:41 PM Mar 13, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
