shono
Advertisement

Breaking News

Anandapur Fire

আনন্দপুরে সহকর্মীদের হারালেও পেটের জ্বালায় জেরবার! হাহাকারের মাঝেই শ্রমিকরা চান, কাজ শুরু হোক

নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের দেহাংশ মিলিছে। বিধ্বংসী আগুনে দু'টি গোডাউনে থাকা একাধিক কর্মী দগ্ধ হয়ে মারা যান। তাঁদের পরিবারে এখন শুধুই হাহাকার।
Published By: Subhankar PatraPosted: 05:26 PM Feb 01, 2026Updated: 05:31 PM Feb 01, 2026

সহকর্মীদের হারানোর বেদনা। অন্যদিকে পেটের জ্বালা। জাতাকলের মধ্যে পড়ে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে কার্যত ধুলিসাৎ হয়ে যাওয়া গোডাউনের কর্মীরা চাইছেন দ্রুত শুরু হোক তাঁদের কাজ। গ্রেপ্তার হয়েছেন গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাস। তাঁর পাশেই দাঁড়াচ্ছেন কর্মচারীরা।

Advertisement

নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের দেহাংশ মিলিছে। ছাইয়ের স্তূপ সরিয়ে উদ্ধার হয়েছে শুধুই হাড়। দু'টি গোডাউনের একটি ভাড়া নিয়েছিল মোমো সংস্থা। অন্যটিতে একটি ডেকরেটার্স সংস্থার কাজ চলত। দু'টিরই মালিক গঙ্গাধর। বিধ্বংসী আগুনে দু'টি গোডাউনে থাকা একাধিক কর্মী দগ্ধ হয়ে মারা যান। তাঁদের পরিবারে এখন শুধুই হাহাকার। সেই অভিশপ্ত রাতে মৃত্যু থেকে বাঁচতে অনেকেই ফোন করেছিলেন তাঁদের সহকর্মীদের। সেই কর্মীদের কানে এখনও ভাসছে শেষ মুহূর্তে ফোন করে বাঁচানোর আর্তি। কিন্তু পেটের জ্বালা! তার কী হবে?

শ্রমিকরা চাইছেন খোলা হোক গোডাউন। এই দাবিতে ও মালিক গঙ্গাধরের পাশে দাঁড়িয়ে গঙ্গাধরের হেঁড়িয়ার বাড়িতে যান শ্রমিকরা। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে সাধারণত মালিকের বিরুদ্ধে পঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রকাশ ঘটে। কিন্তু কর্মীরা জানাচ্ছেন, মালিক তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার খেয়াল রেখেছেন। বেতনও সঠিক সময়ে দিয়েছেন। তাঁর কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য বলে মনে করছেন তাঁরা।

পাশাপাশি তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, গঙ্গাধরের সংস্থায় প্রায় ২ হাজার কর্মী রয়েছেন। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সেই সংস্থার কাজ যেন শুরু করতে দেয়। শ্রমিক তপন মণ্ডল বলেন, "১০-১২বছর ধরে এখানে কাজ করছি। বেতন নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি।" দ্রুত কাজ শুরুর আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement