বঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাকের সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে। হোল্ডিং সেন্টার থেকে শুরু করে ধরপাকড় করে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পুশব্যাক, কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী সেসব প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু শনিবার সেই প্রক্রিয়া ঘিরেই তুমুল উত্তেজনা ছড়াল মালদহের কাঁটাতারহীন সীমান্ত সুখদেবপুরে। এপাশ থেকে অনু্প্রবেশকারীদের পুশব্যাকের পর ওপারে বিজিবি নিজেদের ভূখণ্ডে ঢুকতে দেয়নি। ফলে ফের ঘাড়ধাক্কা থেকে এপারের সীমান্তে জড়ো হয় প্রায় হাজার খানেক বাংলাদেশি। অভিযোগ, তাঁরা এপারে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উপর হামলার চেষ্টা করে। কিন্তু কড়া হাতে তা দমন করেছে বিএসএফ। এই মুহূর্তে সুখদেবপুরের পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও এখনও জমায়েত রয়েছে।
বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্তের প্রায় ১২০০ মিটার এলাকা এখনও কাঁটাতারবিহীন। যদিও বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এতদিন ধরে কাঁটাতারের জন্য জমিজট ছাড়িয়ে তা বিএসএফকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেই প্রক্রিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাকও করছে সরকার। সেই কাজের সময়ই শনিবার ভোররাতে বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্তে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের ওপারে বহু বাংলাদেশি নাগরিক জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিএসএফের উপর তাঁরা হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।
বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্তের প্রায় ১২০০ মিটার এলাকা এখনও কাঁটাতারবিহীন। যদিও বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এতদিন ধরে কাঁটাতারের জন্য জমিজট ছাড়িয়ে তা বিএসএফকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেই প্রক্রিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাকও করছে সরকার। সেই কাজের সময়ই শনিবার ভোররাতে বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্তে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের ওপারে বহু বাংলাদেশি নাগরিক জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিএসএফের উপর তাঁরা হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কড়া পাহারায় মোতায়েন রয়েছে বিএসএফ।
মালদহের বৈষ্ণবনগরের সুখদেবপুর সীমান্ত, নিজস্ব ছবি
উল্লেখ্য, এর আগেও এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ এবং ভারতীয় কৃষকদের জমির ফসল কাটাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। শনিবারও সেই একই ছবি দেখা গেল। এই ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিএসএফের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। এনিয়ে বৈষ্ণবনগরের সাধারণ বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, আগেও বারবার এই সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিদের জমায়েত হয়ে গন্ডগোল পাকাচ্ছিল। তাঁদের রুখতে গিয়ে এলাকার যুবকরা পাথর হামলার মুখে পড়েছে।
বিজেপি বিধায়ক রাজু কর্মকার জানিয়েছেন, ‘‘সুখদেবপুরে বাংলাদেশের প্রায় ১০০০ মানুষ জমায়েত করেন বলে খবর পেয়েছি। ওপার থেকে যাঁরা বেআইনিভাবে এপারে এসে এতদিন বসবাস করছিলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছিল এই সীমান্ত দিয়ে। অথচ বাংলাদেশ সেই নিজেদের দেশের বাসিন্দাদের গ্রহণ করতে নারাজ। তাহলেই ভেবে দেখুন, বাংলাদেশ কত নির্লজ্জ! নিজেদের ধর্ম, নিজেদের নাগরিকদেরই ওরা নিচ্ছে না। তাহলে আমরা কেন এদেশে ওদের রাখব? আমরা আজকের গোটা ঘটনা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি।'' মালদা দক্ষিণের সাংসদ খগেন মুর্মুর কথায়, ‘‘ইতিপূর্বেও এখানে বাংলাদেশ থেকে লোকজন এসে পশ্চিমবঙ্গকে অশান্ত করেছিল। এসব করছে বাংলাদেশি জেহাদিরা। কিন্তু তাদের রুখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রস্তুত। কিছুতেই তাদের বাংলায় সন্ত্রাস তৈরির ছক সফল করতে দেওয়া হবে না।''
