হাসিনা সরকারের পতনের পর স্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলছে বাংলাদেশে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। ৩০০ আসনের বাংলাদেশে সংসদ ২৯৯ টি আসনে ভোট হচ্ছে। নির্বাচন চলাকালীনই একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। তার আঁচ যাতে কোনওভাবেই সীমান্তের এপারে কিংবা দেশের অভ্যন্তরে না এসে পড়ে সেই লক্ষ্যেই সীমান্তে তৎপর সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিএসএফ। কড়া নজর রাখছে পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ করে সমাজমাধ্যমে কোনও রকম গুজব, উসকানিমূলক মন্তব্য নজরে আসলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কড়া নজর রাখছেন গোয়েন্দারা।
বাংলাদেশের নির্বাচনকে মাথায় রেখে গত কয়েকদিন আগ থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আঁটসাঁট করেছে বিএসএফ। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি। বুধবার থেকেই বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত, পেট্রাপোলে বন্ধ রয়েছে বাণিজ্য। অন্যদিকে সীমান্ত সংলগ্ন বসিরহাট পুলিশের তরফে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে বাদুড়িয়া থানার লবঙ্গ এলাকা, ন্যাজাট থানার কানমারী, হাসনাবাদ থানার বনবিবি সেতু সংলগ্ন এলাকা ছাড়াও হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালির হেমনগর কোস্টাল ও বসিরহাট থানা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চলছে পুলিশের তল্লাশি।
বাংলাদেশের নির্বাচনকে মাথায় রেখে গত কয়েকদিন আগ থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আঁটসাঁট করেছে বিএসএফ। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি। বুধবার থেকেই বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত, পেট্রাপোলে বন্ধ রয়েছে বাণিজ্য। অন্যদিকে সীমান্ত সংলগ্ন বসিরহাট পুলিশ জেলাজুড়েও নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
বিশেষ করে শহরে ঢোকা বেরনোর সমস্ত রাস্তাতেই রাত থেকেই গাড়ি এবং মোটরবাইক থামিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি সীমান্তমুখী রাস্তাগুলিতেও নজরদারিতে রাখা হয়। সন্দেহজনক কিছু মনে হলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিশেষ করে নদী ও স্থল দুই ধরনের সীমান্ত পথেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশ, অস্ত্র বা নিষিদ্ধ সামগ্রীর পাচার এবং দুষ্কৃতীদের চলাচল আগেভাগেই রুখে দেওয়া সম্ভব হয়। শুধু তাই নয়, রাতের অন্ধকারে কেউ যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বাড়তি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
বসিরহাটের পুলিশ সুপার ডক্টর হোসেন মেহেদী রহমান জানিয়েছেন, কোনও ধরনের নাশকতা বা অশান্তির আঁচ যাতে সীমান্ত পেরিয়ে এদিকে না আসে, তার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। নাকা চেকিং এবং বাড়তি নজরদারির মাধ্যমে যে কোনও ধরনের অশান্তিকে আগেভাগেই আটকাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার কথায়, "সীমান্তের প্রতিটি সংবেদনশীল পয়েন্ট চিহ্নিত করে সেখানেই বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, পাশাপাশি স্থানীয় থানাগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
