অবশেষে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রত্যেকটি মামলায় জামিন পেলেন মিমিকে হেনস্তার (Harassment with Mimi Chakraborty) অভিযোগে ধৃত তনয় শাস্ত্রী। গ্রেপ্তারির ১৪ দিন পর জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী। বনগাঁ মহকুমা আদালতের আইনজীবী দীপাঞ্জন দত্ত বলেন, "মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের মামলায় আগে জামিন পেয়েছিলেন তনয় শাস্ত্রী (Tanay Shastri)। বুধবার পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় বিচারক তাঁকে জামিন দেন।" গ্রেপ্তারির পর থেকে বনগাঁ সংশোধনাগারে ছিলেন জ্যোতিষী। এদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন তিনি। ফেরার পথে বলেন, "আইনের উপর আস্থা ছিল। স্ট্রংভাবে এসেছিলাম, স্ট্রংভাবে যাচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন।"
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, মিমি একঘণ্টা দেরিতে সেখানে পৌঁছন। মঞ্চে উঠতে উঠতে তাঁর পৌনে ১২টা বেজে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। সেই কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ তনয়কে ধরার জন্য গিয়েছিল বনগাঁ থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেসময় পুলিশকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশকে প্রথমে বেগ পেতে হয়েছিল!
পুলিশকে ‘হেনস্তা’ ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেও মামলা হয় তনয় শাস্ত্রী ও ধৃত দু’জনের বিরুদ্ধে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় শাস্ত্রীদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। শনিবার সেই মেয়াদ শেষে ধৃতদের আদালতে তোলা হয়। অভিনেত্রী মিমি করা মামলায় জামিন পান তনয়। তবে পুলিশকে করা হেনস্তা মামলায় সেদিন জামিন মেলেনি। বুধবার পুলিশের দায়ের করা মামলায় তনয়কে জামিন দেয় আদালত। তার ফলে সন্ধ্যায় তনয় শাস্ত্রীর জেলমুক্তি হয়।
