দেব গোস্বামী, বোলপুর: কলকাতায় পাঁচ লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠের পর এবার পাঁচ হাজার কন্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানের আয়োজন হল বীরভূমে (Birbhum)।
শুক্রবার, বীরভূমের নলহাটি ২ ব্লকের প্রসাদপুর গ্রামে গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়। এদিনের, গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলডাঙ্গা আশ্রমের কার্তিক মহারাজ। এই গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে এলাকার মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
এর আগে, ডিসেম্বর মাসে ব্রিগেডে হয় '৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ'। সেখান থেকেই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, "হিন্দু সমাজ সংগঠিত ছিল না, তাই বিভাজনের বলি হয়েছি আমরা।" এদিনও শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। গতবছরই প্রথমবার কলকাতার বুকে আয়োজন করা হয়েছিল লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ। কিন্তু তাতে আশানুরূপ সাফল্য মেলেনি। এবার আরও বড় পরিসরে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আরএসএস ঘনিষ্ঠ সনাতন সংস্কৃতি সংসদ।
নলহাটিতে গীতা পাঠের আসর
তৃণমূলের দাবি, এই গীতাপাঠ অনুষ্ঠানের নেপথ্যে রয়েছে রাজনীতি। গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের মাঝে আমিষ খাবার বিক্রির 'অপরাধে' শেখ রেয়াজুলকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁকে কান ধরে ওঠবোস করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। গোটা ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শেখ রেয়াজুলও। এরপরই গণপিটুনির অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়।
এনিয়ে ফুঁসে ওঠেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, "আমিষ খাবার যাঁরা খান না, তাঁদের কিনবেন না। কিন্তু বিক্রেতাকে মারধর করবে কেন? ওঁরা ওখানে নানা জিনিস বিক্রি করে আয় করেন। এরকম করা যায় না। তীব্র নিন্দা করছি।"
