shono
Advertisement
BJP

বাংলাদেশি পাচারকারীদের সঙ্গে যোগ! বিডিও শানুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার দাবিতে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

জেলা বিজেপি সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ক্ষমতার ব্যবহার করে মোটা টাকা আত্মসাৎ, অবৈধ ভাবে জমি সম্পত্তির মালিক হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, মার্কস বাড়িয়ে কীভাবে তাঁকে বিডিও করা হল তা নিয়েও তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা।
Published By: Kousik SinhaPosted: 07:38 PM May 23, 2026Updated: 07:40 PM May 23, 2026

আরও বিপাকে শানু বক্সি! এবার তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি মালদহ জেলা বিজেপির। আর এরপরেই বিতর্কিত শানু বক্সির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে চলেছে মালদহ জেলা বিজেপি। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করতে পারেন জেলা নেতৃত্ব। যদিও এহেন অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত শানু বক্সির কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Advertisement

এর আগেই শানু বক্সির বিরুদ্ধে তৎকালীন শাসকদল অর্থাৎ তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠেছিল। এমনকী ফলতার 'বাহুবলি' জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববির। শুধু তাই নয়, শানু এবং জাহাঙ্গিরের গোপন চ্যাট ফাঁস করে ববির দাবি, এই ফলতায় ২০২৪ সালে ১ লক্ষ ২৪ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পিছনে কারচুপি রয়েছে। আর সেই ‘প্রমাণ’ ফাঁস করা স্ক্রিনশটগুলিতে আছে বলে দাবি বিজেপি নেতার। যদিও জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে কথোপকথন প্রসঙ্গে শানু বক্সির দাবি, সবকিছু এআই দিয়ে করা হয়েছে। এখন সবটাই সম্ভব।

শানু এবং জাহাঙ্গিরের গোপন চ্যাট ফাঁস করে ববির দাবি, এই ফলতায় ২০২৪ সালে ১ লক্ষ ২৪ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পিছনে কারচুপি রয়েছে। আর সেই ‘প্রমাণ’ ফাঁস করা স্ক্রিনশটগুলিতে আছে বলে দাবি বিজেপি নেতার।

আর এহেন বিতর্কের মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি করেছে মালদহ বিজেপি। তাদের অভিযোগ, শানু বক্সির সঙ্গে বাংলাদেশি পাচারকারীদের যোগাযোগ রয়েছে। নেতৃত্বের আরও গুরুতর অভিযোগ, রাষ্ট্র বিরোধী কয়েকজনের সঙ্গে আঁতাত করে প্রচুর পরিমাণে সম্পত্তির মালিক হয়েছেন মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরপুরের বিডিও। এই প্রসঙ্গে জেলা বিজেপি সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ক্ষমতার ব্যবহার করে মোটা টাকা আত্মসাৎ, অবৈধ ভাবে জমি সম্পত্তির মালিক হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, মার্কস বাড়িয়ে কীভাবে তাঁকে বিডিও করা হল তা নিয়েও তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা। অন্যদিকে নতুন করে শানু বক্সীর বিপুল সম্পত্তির হদিস নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। বলে রাখা প্রয়োজন, বর্তমানে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরপুরের বিডিও পদে রয়েছেন বিতর্কিত শানু।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement