shono
Advertisement
SIR in West Bengal

বাড়ি এসে বিচারাধীন ভোটারদের হুমকি, সঙ্গে SIR-এর কাজের চাপ! 'আতঙ্কে' মৃত্যু বিএলওর

বুথে বহু মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে। সেইসব মানুষের তথ্য, ডকুমেন্টস বিচারকদের বোঝাতে হবে বলে খবর। সেই বিষয়ে ক্রমাগত চাপ তৈরি হচ্ছিল! এসআইআর আতঙ্ক ও চাপে মৃত্যুর অভিযোগ এক বিএলওর।
Published By: Suhrid DasPosted: 04:56 PM Mar 13, 2026Updated: 06:00 PM Mar 13, 2026

বুথে বহু মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে। সেইসব মানুষের তথ্য, ডকুমেন্টস বিচারকদের বোঝাতে হবে বলে খবর। সেই বিষয়ে ক্রমাগত চাপ তৈরি হচ্ছিল! এসআইআর (SIR in West Bengal) আতঙ্ক ও চাপে মৃত্যুর অভিযোগ এক বিএলওর। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের (Malda) কালিয়াচকে। মৃতের নাম আবুল বরকত। ঘটনা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে।

Advertisement

রাজ্যে এসআইআরের কাজ শেষ হয়েছে। ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে। তথ্য যাচাই করবেন আদালতের বিচারকরা। সেই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় সেই কাজ চলছে। সেই ঘটনার মধ্যেই ফের এক বিএলওর মৃত্যু। আর এই মৃত্যুতেও জড়িয়ে গেল এসআইআরের নাম। এসআইআরের কাজের চাপ ও আতঙ্কের জেরেই ওই মৃত্যু বলে বিএলওর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ।

সুজাপুর বিধানসভার বামনগ্রাম ১৫৩ নম্বর বুথের বিএলও ছিলেন আবদুল বরকত। তিনি নয়মৌজা সুবহানিয়া হাই মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষক। কালিয়াচক এলাকায় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে খবর। পরিবারের তরফে অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরেই আতঙ্কিত ছিলেন আবুল বরকত। জানা গিয়েছে, এসআইআরের তালিকা প্রকাশের পর ওই বুথে মোট ৫৭৯ জনের নাম বিচারাধীন বলে দেখা যায়। সেই নিয়ে এলাকায় উত্তেজনাও তৈরি হয়!

মৃতের পরিবার ও আত্মীয়দের অভিযোগ, যাদের নাম বিচারাধীন, তাঁরা বাড়িতে গিয়ে চাপ দিচ্ছিলেন। বিচারকদের সামনে বিচারাধীন ব্যক্তিদের তথ্য তুলে ধরতে হবে বিএলওদের। সেই বিষয়েও দীর্ঘক্ষণ করে কাজ করতে হচ্ছিল তাঁকে! আজ, শুক্রবার ভোররাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক শোরগোল।

মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু জানিয়েছেন, এসআইআর বিজেপির এজেন্ডা। বিজেপির নির্দেশ পালন করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে কাজ করানোর ফলেই অকালে আরও একটি প্রাণ চলে গেল। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা বিজেপি। বিজেপির দক্ষিণ মালদহের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন দাস জানিয়েছেন, প্রত্যেক মৃত্যুই দুঃখজনক। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে শুরু থেকেই অসহযোগিতা করে এসেছে রাজ্যের শাসকদল। বিএলও-দের উপর চাপ বেড়েছে। এই মৃত্যুর জন্য দায়ী তৃণমূল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement