ভোটপ্রচারের প্রস্তুতির মাঝে তৃণমূলের মঞ্চের পাশে স্কুলে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কল্যাণীর সগুনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। শনিবার দুপুরে ঘোড়াগাছা মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের দোতলার চিলেকোঠায় বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা বিদ্যালয়। ভেঙে পড়ে অ্যাসবেস্টাসের একাংশ। সিঁড়িতেও বোমা ফাটে। শব্দ শুনে চিলেকোঠায় ছুটে যান বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডকে। ছুটে আসে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিস্ফোরণের শব্দে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল ছুটি হয়ে যাওয়ায় পড়ুয়াদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এই স্কুলের পাশের মাঠেই তৃণমূলের প্রচারমঞ্চ তৈরি হয়েছিল। এই অবস্থায় কীভাবে স্কুলের ভিতরে বোমা এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ড্রোন উড়িয়ে দেখা হচ্ছে, আর কোথাও বোমা মজুত রয়েছে কিনা।
স্কুলের বিস্ফোরণে ড্রোন উড়িয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে, কোথায় বোমা মজুত আছে। নিজস্ব ছবি
এদিন দুপুর নদিয়ার কল্যাণী বিধানসভার অন্তর্গত সগুনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ ঘোড়াগাছা মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের দোতলার চিলেকোঠায় ফাটে একটি বোমা। বোমার বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা বিদ্যালয়। বিদ্যালয় থাকা শিক্ষক কর্মচারীরা ছুটে যান বিদ্যালয়ের ছাদে। ছাদে চিলেকোঠার অ্যাসবেস্টাসে দেখেন বিশাল বড় গর্ত হয়েছে এবং পোড়া গন্ধ বেরচ্ছে। সেখানে পড়ে রয়েছে আরেকটি বোমা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় কল্যাণী থানায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুরু হয় তদন্ত। প্রশ্ন উঠেছে, এই বিদ্যালয়ের ছাদে কে বা কারা বোমা মজুত করেছে? উদ্দেশ্যই বা কী?
এই স্কুলের পাশের মাঠে তৃণমূলের মঞ্চ তৈরি হয়েছে। এর মাঝে স্কুলে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে সরাসরি বিজেপির দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে। কল্যাণীতে স্কুলের ছাদে বিস্ফোরণ, তাজা বোমাও মিলেছে বলে খবর। ভোটের আগে এই ঘটনায় আতঙ্কের পাশাপাশি রাজনৈতিক অভিসন্ধি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সর্বোপরি স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
