shono
Advertisement
Bengal Election 2026

ফের 'শাহী' ভুল! বাঁকুড়ায় বালুচরী-মাটির কাজে জিআই ট্যাগ দেওয়ার ঘোষণায় কটাক্ষ তৃণমূলের

বালুচরী শাড়ি ও পাঁচমুড়ার টেরাকোটা বহু আগে থেকে জিআই-স্বীকৃত শিল্প হিসেবে পরিচিত। তৃণমূলের কটাক্ষ, ন্যূনতম না জেনেই শাহের এই ঘোষণা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:25 PM Apr 11, 2026Updated: 07:38 PM Apr 11, 2026

ফের তথ্যবিভ্রাটে কাঠগড়ায় অমিত শাহ। শনিবার বাঁকুড়ার নির্বাচনী (Bengal Election 2026) প্রচারে গিয়ে বালুচরী শাড়ি ও পাঁচমুড়ার মাটির কাজকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর সেই ঘোষণা ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। কারণ, বালুচরী শাড়ি ও পাঁচমুড়ার টেরাকোটা - দুটিই বহু আগে থেকে জিআই-স্বীকৃত শিল্প হিসেবে পরিচিত। শনিবার বাঁকুড়ার রামসাগর এলাকায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচনী সভায় মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “বালুচরী শাড়ি এবং পাঁচমুড়ার মাটির কাজকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এতে এই শিল্প আরও উন্নতির পথে এগোবে এবং শিল্পীদের উপকার হবে।”

Advertisement

তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উনার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুব্রত দত্ত বলেন, “যে বালুচরী শাড়ি ও পাঁচমুড়ার মাটির কাজ বহু বছর আগেই জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে, সেই বিষয়েই আবার নতুন করে জিআই দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এটা আসলে তথ্যভিত্তিক ঘোষণা নয়, মানুষের সামনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা।”

সভা শেষ হতেই এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তুমুল কটাক্ষ। তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উনার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুব্রত দত্ত বলেন, “যে বালুচরী শাড়ি ও পাঁচমুড়ার মাটির কাজ বহু বছর আগেই জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে, সেই বিষয়েই আবার নতুন করে জিআই দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এটা আসলে তথ্যভিত্তিক ঘোষণা নয়, মানুষের সামনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা।” তাঁর আরও কটাক্ষ, “বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিল্প সম্পর্কে ন্যূনতম তথ্য না জেনেই মঞ্চ থেকে এ ধরনের ঘোষণা করা হচ্ছে। যেগুলো বহু আগে স্বীকৃতি পেয়েছে, সেগুলোকেই আবার নতুন প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এতে শিল্পীদের প্রকৃত উন্নয়নের কোনও রূপরেখা নেই, আছে শুধু ঘোষণার রাজনীতি।”

জানা যায়, বিষ্ণুপুর-বাঁকুড়া অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বালুচরী শাড়ি বহু বছর আগেই জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। একইভাবে পাঁচমুড়ার টেরাকোটা শিল্পও জিআই-প্রাপ্ত হস্তশিল্প হিসেবে আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত। ফলে নতুন করে জিআই দেওয়ার ঘোষণাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রামসাগরের সভায় দেওয়া এই ঘোষণা কার্যত পুরনো স্বীকৃতিকেই নতুন প্রতিশ্রুতির মোড়কে তুলে ধরার চেষ্টা। সেই কারণেই এই মন্তব্য ঘিরে এখন জেলা রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement