সুমন করাতি, হুগলি: চাকরির প্রথম দিনেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার তরুণী। কোচিং সেন্টারের ভিতরেই শ্লীলতাহানি করা হয় তাঁর! অভিযোগ এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন খোদ ওই সেন্টারের মালিক। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চুঁচুড়া স্টেশন রোড এলাকায়। ওই কোচিং সেন্টারে পড়তে আসা পড়ুয়াদের সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠে গেল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তরুণীর বাড়ি ভদ্রেশ্বরে। গতকাল, শুক্রবার টেলিফোনে ডাক পেয়ে ওই সেন্টারে গিয়ে রিশেপশনিস্টের পদে ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন ওই তরুণী। গতকালই তাঁর চাকরি পাকা হয়ে যায়। ওই তরুণীর মা তাঁর সঙ্গে ওই সেন্টারে গিয়েছিলেন। আজ, শনিবারই চাকরিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেই মতো ওই তরুণী কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই সেন্টারের মালিকের লালসার শিকার হলেন তিনি!
অভিযোগ, এদিন সকালে ওই তরুণী একাই ওই সেন্টারে কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেসময় ওই সেন্টারের মালিক শ্যামল দাস একাই ছিলেন। অভিযোগ, কাজ বোঝানোর অছিলায় ওই তরুণীকে অশালিন স্পর্শ করতে থাকেন। ঘরের আলো নিভিয়ে দরজার ছিটকানি বন্ধ করে শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগ। কোনওরকমে ওই তরুণী ব্যক্তির কবল থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে যান। খালি পায়েই তিনি ছুটে চুঁচুড়া স্টেশনে পৌঁছে যান। এক টোটোচালকের সাহায্যে ওই এলাকার দুই মহিলাকে গোটা ঘটনা জানান।
ওই সেন্টারের ভিতরেই আক্রান্ত তরুণীর ব্যাগ, মোবাইল ফোন, জুতো পড়েছিল বলে খবর। ওই মহিলারাই তরুণীর বাড়িতে ফোন করে যোগাযোগ করেন। ঘটনার কথা জানাজানি হতে ওই সংস্থায় চড়াও হন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই অভিযুক্তকে মারধর করা হয়। খবর দেওয়া হয় চুঁচুড়া থানায়। তরুণীর পরিবারের তরফে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
