shono
Advertisement
Odisha

ওড়িশায় ফের 'আক্রান্ত' বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক, মারধর করে 'জয় শ্রীরাম' বলানো হল রাজা আলিকে!

৮ মাস আগে ওড়িশার কটকে পাথর শ্রমিক হিসাবে কাজে গিয়েছিলেন।
Published By: Subhankar PatraPosted: 12:12 PM Jan 11, 2026Updated: 05:25 PM Jan 11, 2026

সুমন করাতি, হুগলি: বিজেপি শাসিত ওড়িশায় ফের আক্রান্ত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক! বাংলায় কথা বলায় মারধর ও টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। অত্যাচারের পাশাপাশি সংখ্যালঘু যুবককে জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। কোনও মতে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়ি ফিরলেন শ্রমিক। একমাত্র রোজগারে ছেলে বাড়ি ফিরে আসায় সংসার চলবে কী করে তা নিয়ে চিন্তায় পরিবার।

Advertisement

নির্যাতনের শিকার পরিযায়ী শ্রমিকের নাম রাজা আলি। তিনি হুগলির গোঘাটের বাসিন্দা। প্রায় ৮ মাস আগে ওড়িশার কটকে পাথর শ্রমিক হিসাবে কাজে যান তিনি। রাজার দাবি, এর আগেও বাংলায় কথা বলায় তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংসারের কথা চিন্তা করে তিনি বাংলায় ফিরে আসেননি। কার্যত লুকিয়েই কাজ করতেন। যে ঘরে ভাড়া থাকতেন সেখানে ঝামেলা এড়াতে দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে দিতেন বাড়ির মালিক। কিন্তু বুধবার ১০-১২ জন মিলে তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে রাজাকে বেধড়ক মারাধর করে। অভিযোগ তাঁকে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে বাধ্য করা হয়। ২২ জানুয়ারি হুগলি সফরে যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে রাজা নির্যাতনের কথা তুলে ধরতে চান বলে জানিয়েছেন।

রাজা বলেন, "আগেও হুমকির মুখে পড়েছিলাম। কিন্তু বুধবার রাতে ১০-১২ জন বিজেপি কর্মী ঘরে ঢুকে আমাকে ব্যাপক মারধর করে। আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ছিল তাও নিয়ে নেয়। তারপর জোর করে আমাকে দিয়ে জয় শ্রীরাম বলানো হয়। তারপর সেই রাতেই সেখান থেকে বাসে করে বাড়ি ফিরে আসি। বাবা-মা আমাকে আর যেতে দেবে না বলছে। কী করে সংসার চলবে তা নিয়ে চিন্তায় আছি।" ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপিকে আক্রমণ করে আক্রান্ত পরিযায়ী শ্রমিকের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • বিজেপি শাসিত ওড়িশায় ফের আক্রান্ত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক!
  • বাংলায় কথা বলায় মারধর ও টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে।
  • অত্যাচারের পাশাপাশি সংখ্যালঘু যুবককে জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।
Advertisement