হিন্দু সম্মেলন এবং সহস্রকণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানের জন্য কলেজের কাছে ৪০ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ উঠল একটি সংগঠনের বিরুদ্ধে। যদিও কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, কলেজ থেকে কোনও চাঁদা দেওয়া হবে না। ১৬ জানুয়ারি সনাতনী ঐক্যমঞ্চ নামে সংগঠনের তরফে ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের কাছে হিন্দু সম্মেলন ও সহস্র গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের জন্য ৪০ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে। কেন তিনি চাঁদার রসিদ গ্রহণ করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা। তিনি বলেন, “কলেজ হল পঠনপাঠনের জায়গা। জঙ্গলমহল এলাকার বহু মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত পরিবারের কষ্টার্জিত অর্থে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। তাঁদের টাকা নষ্ট হতে দেব না। আর কলেজ পড়াশোনার জায়গা, চাঁদা দেওয়ার নয়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কেউ ব্যক্তিগতভাবে কাউকে চাঁদা দিতেই পারেন। কিন্তু কলেজের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। আমি অধ্যক্ষকে বলেছি তিনি কেন চাঁদার রসিদ গ্রহণ করলেন।’’
যদিও কলেজের অধ্যক্ষ উমা ভৌমিককে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।’’ সনাতনী ঐক্যমঞ্চ নামে সংগঠনটি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল। সনাতনী ঐক্যমঞ্চের পক্ষে নিশীথ মাহাতোকে ফোন করা হলে তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে চাননি। ঝাড়গ্রাম জেলার বিজেপি সভাপতি তুফান মাহাতো অবশ্য বলেন, ‘‘এই সংগঠনের সঙ্গে আমাদের কোনও যোগ নেই। এই বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। এরা বিজেপির শাখা সংগঠন বলে তৃণমূল ভুল প্রচার চালাচ্ছে।”
