ছাব্বিশের ভোটের আগে বঙ্গজয়ে রাজ্যের অন্যতম স্পর্শকাতর কেন্দ্র সিঙ্গুরকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Singur)। রবিবার দুপুর ১টা নাগাদ সিঙ্গুরে একগুচ্ছ রেলপ্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন মোদি। এরপর সেখানেই জনসভা। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের আগে শিল্পকে ইস্যু করে পালটা প্রচারে নেমে পড়ল সিপিএম। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাজনাথ সিংও। সেই ছবি নিয়ে রাজ্যজুড়ে পাল্টা প্রচার করে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নামলেন কমরেডকুল।
সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাজনাথ সিংও। সেই ছবি নিয়ে রাজ্যজুড়ে পাল্টা প্রচার করে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নামলেন কমরেডকুল।
১৭ জানুয়ারি ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রয়াণ দিবস। এই প্রয়াণ দিবসকে সামনে রেখে সোশাল মিডিয়া থেকে রাজ্যের সর্বত্র বিজেপিকে 'অসভ্য, বর্বর দল' বলে আক্রমণ করেছে সিপিএম। বিজেপিকে বাংলায় এনেছে তৃণমূল, এমনই দাবি করা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রাজনাথ সিংয়ের ছবিতে পোস্টার বানিয়ে প্রচার করছে তারা। সিঙ্গুরে টাটার ন্যানো কারখানা না হওয়া নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলকেই দায়ী করেছে সিপিএম। এমনিতেই নির্বাচন লগ্নে লাল পার্টি বরাবর তৃণমূল-বিজেপি থেকে সমদূরত্বে লড়াইয়ের জন্য প্রচার করে থাকে। এবারের বিধানসভা ভোটের আগে মোদির সিঙ্গুরে জনসভা ফের সিপিএমের 'ন্যানো-ক্ষত' উসকে দিয়েছে, বলাই বাহুল্য। আর তাই এহেন পালটা প্রচার।
বিজেপিকে বাংলায় এনেছে তৃণমূল, এমনই দাবি করা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রাজনাথ সিংয়ের ছবিতে পোস্টার বানিয়ে প্রচার করছে তারা। সিঙ্গুরে টাটার ন্যানো কারখানা না হওয়া নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলকেই দায়ী করেছে সিপিএম।
যদিও সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতার সঙ্গে রাজনাথ সিংয়ের থাকা নিয়ে সিপিএম যে প্রচার করছিল তার জবাব অবশ্য আগেই দিয়েছে তৃণমূল। এনিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের বক্তব্য ছিল, "কৃষক-কৃষিজমি-খেতমজুর, তাদের জমি রক্ষায় ও পেশা বাঁচানোর স্বার্থেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সিঙ্গুর আন্দোলন টাটা বা শিল্পের বিরুদ্ধে ছিল না। বলা হয়েছিল, শিল্পের জন্য যে জমি অর্থাৎ কম কৃষিযোগ্য বা অ-কৃষিযোগ্য, সেখানে শিল্প হোক। তিন ফসলি কৃষিজমি দখল করে রাষ্ট্রশক্তি নিয়ে সেটাকে বেসরকারি পার্টির হাতে তুলে দেবে, এটা কীভাবে হতে পারে। তখন জমিনীতির বিরোধিতা করা হয়েছিল। এই মডেলে সারা দেশে জমি রক্ষা আন্দোলন হয়েছে।"
