২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের ব্রিগেড কাঁপিয়েছিল 'ডিম্ভাত'। পেটভরে ডিমের ঝোল আর ভাত খেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা শুনে বাড়ি ফিরেছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। তার বছর সাতেক পর ফিরল সেই 'ডিম্ভাত'। তবে এবার সভা বিজেপির। মোদির সভার আগে সস্তায় পুষ্টিকর খাবারে পেট ভরালেন কর্মী-সমর্থকরা।
শীতের দুপুর। হালকা রোদ। মোদির সভার আগে যেন বনভোজনের মেজাজ। বড় বড় লোহার কড়াইয়ে ফুটছে ডিমের ঝোল। পাশে বড় হাঁড়িতে ভাত। হরিপালের বিভিন্ন গ্রামে আবার 'ডিম্ভাতে'র সঙ্গে ছিল সয়াবিনের তরকারি। খাওয়াদাওয়ার পর বাসে চড়ে সভাস্থলে যোগ দিতে যাওয়ার কথা কর্মীদের। একে তো তাড়াতাড়ি রান্না হয় 'ডিম্ভাত'। আবার তার উপর পুষ্টিকর। খরচও তুলনামূলক অনেক কম। তাই এই খাবারেই বেশ খুশি কর্মী-সমর্থকরা।
রাজনৈতিক দলগুলির সভায় কেন ‘হটকেক’ ‘ডিম্ভাত’?
- সস্তায় পুষ্টিকর, খরচ বাঁচানোটাই ডিম ভাতকে মেনু হিসেবে বেছে নেওয়ার একমাত্র কারণ নয়। অত মানুষকে বিরিয়ানি কিংবা চিকেন খাওয়ানোটা সত্যিই খরচ সাপেক্ষ।
- ডিম রান্নায় ঝামেলা একেবারেই নেই। বাজার থেকে ডিম এনে সেদ্ধ করে ছাড়িয়ে দিলেই হল ।
- ডিম খেলে সভাস্থল নোংরা কম হবে।
- ডিমের আরেকটা সুবিধা হল, যদি কমও পড়ে সমস্যা নেই। বাজার থেকে এনে ঝটপট সিদ্ধ করে খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে।
- ডিম-ভাতের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, শুধু ডিম গুণেই বলে দেওয়া যায় সভায় কত লোক হয়েছে। যে কোনও রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই উপস্থিতির পরিমাণটা আন্দাজ করা খুব জরুরি।
