ভুয়ো এসসি শংসাপত্র ব্যবহার করে সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হয়ে বিধায়ক! এই অভিযোগে কোচবিহারের সিতাইয়ের বিধায়ক সঙ্গীতা রায়ের বাড়িতে নোটিস পাঠাল ব্লক প্রশাসন। বিডিও অফিসে গিয়ে যাচাই করাতে হবে এসসি শংসাপত্র। এই মর্মে মহকুমা শাসকের নির্দেশে চিঠি পাঠিয়েছেন বিডিও। আজ, মঙ্গলবারই শংসাপত্র যাচাইয়ের দিন বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে বিধায়কের খোঁজ মেলেনি।
বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকে বিজেপি ও জিসিপিএ-সমর্থিত প্রার্থী আশুতোষ বর্মা ভুয়ো এসসি শংসাপত্র ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। নির্বাচনের পর মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। তবে সুরাহা না মেলায়, হাই কোর্টে আবেদন করেন আশুতোষ। তারপরই মহকুমাশাসকের পক্ষ থেকে বিধায়ককে সংশাপত্র যাচাইয়ের জন্য বিডিও অফিসে হাজির থাকার কথা বলা হয়েছে। এদিন মঙ্গলবার বিধায়ককে হাজিরা দেওয়ার জন্য বাড়িতে নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁর প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজিরার কথা বলা হয়েছে। বাড়িতে বিধায়ককে না পেয়ে নোটিসটি বাড়ির দেওয়ালে সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া আশুতোষ বর্মা বলেন, "নোটিস এখন দেওয়া হয়েছে। তবে নির্বাচনের সময় থেকেস আমরা অভিযোগ জানাচ্ছি। ভুয়ো এসসি সার্টিফিকেট ব্যবহার করে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে। যেহেতু এটি সংরক্ষিত আসন, ওর তো নির্বাচনে দাঁড়ানোরই অধিকার নেই। রাজবংশী সমাজ এটা ভালোভাবে নেয়নি। আমরা হাই কোর্ট গিয়েছিলাম। তারপর নোটিস। যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। আমরা বড় আন্দোলনে নামব।"
উল্লেখ্য, এই সঙ্গীতা বিধায়ক হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রত তৃণমূলের সঙ্গে গিয়েছেন। ঋত শিবিরের ডাকা বৈঠকে তিনি যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নেত্রী মানেন। কিন্তু পরিস্থিতির চাপে তিনি ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
