এবার নৈহাটির বড়মার (Naihati Boro Maa) দর্শনে আর লাইন দিতে হবে না। দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়ে দাবি জানানো হয়েছিল। এবার এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। কবে থেকে শুরু হচ্ছে এই নিয়ম? কি বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ?
প্রতিদিন নৈহাটির মন্দিরে বড়মার (Naihati Boro Maa) দর্শনে দীর্ঘ লাইন দেখতে পাওয়া যায় ভক্তদের। হাজার হাজার মানুষ দূরদূরান্ত থেকে বড়মা-কে দর্শন ও পুজো দেওয়ার জন্য হাজির হন। বিশেষ বিশেষ তিথিতে সেই দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরও অনেক গুণ বেড়ে যায়। নতুন মন্দির তৈরি হওয়ার পরেই ভক্ত, দর্শনার্থীদের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। এই বিষয় নিয়ে স্থানীয়দের অনেকের মধ্যেই ক্ষোভ দেখা দিচ্ছিল। মন্দির এলাকার বাসিন্দাদের পুজোর জন্যও দীর্ঘ লাইন দিতে হয়। ভিড় এড়াতে এলাকার বাসিন্দাদের অন্য কি আর অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায় না? আলাদা করে পুজোর ব্যবস্থা করা যায় না? সেই দাবি, অনুরোধ উঠেছিল।
এই গেট দিয়ে ঢুকতে পারবেন এলাকার বাসিন্দারা। নিজস্ব চিত্র
সেই বিষয়েই এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার থেকে বড়মার দর্শনে বিশেষ সুবিধা পাবে নৈহাটিবাসী। সচিত্র পরিচয়পত্র থাকলে তাদের আর দাঁড়াতে হবে না সাধারণ লাইনে। বিশেষ গেট থাকবে নৈহাটিবাসীদের জন্য। সেখান থেকেই বড়মা-কে দর্শন করা যাবে। আগামী ১ মার্চ থেকে এই নিয়ম চালু হচ্ছে। উল্লেখ্য, বড়মা কাউকে খালি হাতে ফেরায় না। বাসনা পূরণ হয় ভক্তদের। এই বিশ্বাসে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বড়মার দর্শনে ভিড় করেন হাজার হাজার ভক্তরা। বিশেষ তিথি, অমাবস্যা বা পুজোর দিনে সেই সংখ্যা হাজার পেরিয়ে লক্ষ ছুঁয়ে যায়। ভক্তদের এই ভিড় সামলাতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে দর্শন করতে হয় সকলকেই।
এতদিন সেই নিয়মের ব্যতিক্রম ছিল না নৈহাটির বাসিন্দাদের ক্ষেত্রেও। মায়ের মন্দিরের কাছে বাড়ি হলেও লম্বা লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে একটু অভিমানী হচ্ছিলেন নৈহাটির বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ। এলাকাবাসীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিল নৈহাটি বড়কালী পুজো সমিতি ট্রাস্ট।এনিয়ে পুজো সমিতি ট্রাস্টে সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানান, ৭৪৩১৬৫ এবং ৭৪৩১৬৬ এই দুই পিন কোডের আওতায় যাঁদের বাড়ি, তাঁরা বিশেষ গেট ব্যবহার করতে পারবেন। শুধু নৈহাটিবাসীদের জন্যই এই ব্যবস্থা। বাড়িতে অতিথি এলে বা অন্য কাউকে সঙ্গে নিয়ে এই বিশেষ গেটে প্রবেশ করা যাবে না।
