চোর সন্দেহে গণপিটুনি! ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পর মৃত্যু খড়গপুরের (Kharagpur) ইঞ্জিনিয়ারের। ওড়িশার ভুবনেশ্বরের বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ জমেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন ইঞ্জিনিয়ারের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
মৃত যুবকের নাম সৌম্যদীপ চন্দ। বয়স ৩৩ বছর। তিনি কেশিয়াড়ি থানার গিলাগেড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। একটি বেসরকারি কারখানায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে কাজে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু বাসিন্দা তাঁর পথ আটকায়। তাঁকে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যুবক তাঁর পরিচয়পত্র দেখিয়ে বলেন তিনি ইঞ্জিনিয়ার সে কথা জানালেও রেহাই মেলেনি। মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়! যুবক নিস্তেজ হয়ে তাঁকে ফেলে পালায় তাঁরা। রাস্তার ধারেই পড়ে থাকে সৌম্যদীপ।
পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় এই ইঞ্জিনিয়ারকে উদ্ধার করে প্রথমে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাঁকে ওড়িশার ভুবনেশ্বরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। শুরু হয় যমে মানুষে লড়াই। অবশেষে হার মানেন যুবক। ওই হাসপাতালেই মৃত হয়েছে যুবকের।
এ দিকে ঘটনার ১২ দিন পরেও কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতের কাকা মণিশংকর চন্দ দোষীদের সকলের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। খড়গপুর গ্রামীণ থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। সকলের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হবে।
