কল্যাণ চন্দ্র, বহরমপুর: বড় অগ্নিকাণ্ডের পরও বিপদের আশঙ্কা থেকেই গিয়েছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া অগ্নিনির্বাপক প্রকৌশল বা ফায়ার এক্সটিংগুইMejর রেখে দেওয়া হয়েছে হাসপাতালের মধ্যে। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সামনে দেওয়ালে ঝোলানো রয়েছে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া এমন বহু সিলিন্ডার। হঠাৎ আগুন লাগলে কী হবে, সেই ভয়েই দিন গুনছেন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই কর্তৃপক্ষের।
[এবার চাঁদেও মিলবে ভোডাফোনের 4G নেটওয়ার্ক]
২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের দোতলার একটি ঘরে আগুন লাগে। প্রাণ বাঁচাতে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে এক শিশু-সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন অনেকেই। ওই ঘটনায় রাজ্যের নেতা মন্ত্রীরা ছুটে এসেছিলেন বহরমপুরের এই সরকারি হাসপাতালে। সিআইডি তদন্তও হয়েছিল। সরকারি উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছিল ঘটনার পরে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে এমার্জেন্সি বিভাগ থেকে শুরু করে একতলা থেকে তিনতলা পর্যন্ত সব ওয়ার্ডের সামনে লাগানো হয়েছিল অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। সেগুলির মেয়াদ ছিল ১৩ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ১২ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত। অর্থাৎ একবছর। সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার দেড় মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রগুলি সেখানেই রয়ে গেছে। লিফটে ওঠার সময় এবং ওয়ার্ড থেকে বেরিয়েই যা চোখে পড়েছে রোগীর আত্মীয়দের। ফলে আতঙ্কিত অনেকেই। কোনও সিলিন্ডারে মেয়াদ উত্তীর্ণর স্টিকার লাগান রয়েছে, কোনও সিলিন্ডারে আবার সেই স্টিকার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। কোথাও আবার অস্পষ্ট স্টিকার রয়েছে।
বহরমপুরের দমকল দপ্তর জানাচ্ছে, মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কোনও কাজে লাগে না অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডেপুটি সুপার ডাঃ প্রভাস চন্দ্র মৃধা জানিয়েছেন, “বিষয়টি নজরে আসেনি। খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
[গাঙ্গুলিবাগানে নামী শপিং মলে আগুন, আতঙ্কে স্থানীয়রা]
The post মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে মেয়াদ উত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, উদ্বেগে রোগীরা appeared first on Sangbad Pratidin.
