ফলের দোকানের আড়ালে বিক্রি করা হত জাল লটারির টিকিট! রমরমা কারবার চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। আজ, শনিবার জেলা দুর্নীতি দমন শাখা ও জামালপুর থানার পুলিশের যৌথ অভিযান চলল বর্ধমানে। জাল লটারি টিকিট বিক্রির পর্দা ফাঁস হল। মিলল বড় সাফল্য। উদ্ধার হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকার জাল টিকিট। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই ফল বিক্রেতাকে। ধৃতের নাম গদাই বালা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এই চক্রে আর কারা জড়িত? সেই বিষয়টিও জানার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই পূর্ব বর্ধমান-সহ বিভিন্ন জেলায় সক্রিয় জাল লটারি টিকিট চক্র। এর আগে রায়না ও জামালপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিআইডি কয়েক জন জাল লটারির টিকিট বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছিল। বাজেয়াপ্ত করেছিল বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট। কিন্তু তারপরেও বন্ধ করা যায়নি কারবার! ধরপাকড়ের পর কিছু দিন এই কাজকর্ম সেভাবে দেখা যেত না। ফের শুরু হয়ে যেত কারবার! সরকারি অনুমতি ছাড়াই রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চলছিল এই কাজকর্ম। ফলে আসল লটারি টিকিট বিক্রেতারা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিলেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ এদিন জামালপুরে অভিযান চালায়। সামনে আসে ওই জাল লটারির কারবার। পুলিশ ও দুর্নীতি দমন শাখা অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরেছে ওই ফল বিক্রেতাকে। ফলের দোকান থেকে প্রচুর পরিমাণে জাল লটারির টিকিট বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চক্রে আর কেউ জড়িত কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জামালপুরের বেধ লটারির টিকিটের সাব স্টকিস্ট পার্থ রায় জানান, গদাই বালা নামে ওই বল বিক্রেতা অনেকদিন ধরেই জাল টিকিট বিক্রি করছিলেন। নিষেধ করা সত্ত্বেও সেই কাজ বন্ধ করেনি। তাই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
