অভিষেক চৌধুরী, কালনা: প্রায় ২৬ বছর আগে বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে বর্ধমানে এসেছিল দাস পরিবার। তারপর থেকেই এদেশকেই নিজের ভেবেছেন। কিন্তু এসআইআর শুরু হতেই মনে চেপে বসেছিল দেশছাড়া হওয়ার ভয়। মনে শঙ্কা নিয়েই সিএএ-তে আবেদন করেছিলেন তাঁরা। ৩ মাসের মধ্যেই মিলল নাগরিকত্ব। খুশির হাওয়া পরিবার।
পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর কালেখাতলা পঞ্চায়েতের বড়গাছি গ্রামের বাসিন্দা সবুজ দাস। তিনি জানান, প্রায় ২৬ বছর আগে চট্টগ্রামে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে আসেন তাঁরা। তারপর থেকে পূর্বস্থলীতেই রয়েছেন। ভোটার, আধার-সহ যাবতীয় নথি তৈরি রয়েছে তাঁদের। কিন্তু তা সত্ত্বেও এসআইআর আবহে চিন্তা মুক্ত হতে পারছিলেন না তাঁরা। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ভরসা করে সিএএ-তে আবেদন করেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, গত ৮ জানুয়ারি কেন্দ্রের তরফে একটি ইমেল পেয়েছেন সবুজ। সেখানে জানানো হয়েছে নাগরিকত্ব শংসাপত্র প্রস্তুত। ডাকযোগে নথি বাড়িতে পৌঁছে যাবে বলেও জানানো হয়েছে সেই ইমেলেই। নাগরিকত্ব পেয়ে খুশির হওয়া সবুজের পরিবারে। খানিকটা স্বস্তিতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা অন্যরাও। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতারা বলেন, "শাসকদল অপ্রপ্রচার করছে। বিভ্রান্ত না হলে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে আবেদন করুন।" বিষয়টা জানা নেই বলেই দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতির। প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়। এর আগেও বেশ কয়েকজন সিএএ-তে আবেদন করে নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়েছেন।
