ব্রিগেডে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা (PM Modi Brigade Rally)। বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রেন-বাসে করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। লোকাল ট্রেনে খুদে রামকে নিয়ে ব্রিগেডে যেতে দেখা গেল হনুমানকে! হনুমান ও রামের বেশে দু'জনকে দেখে হইচই পড়ে গিয়েছিল স্টেশন চত্বরে। শান্তিপুর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে তাঁদের উঠতে দেখা যায়।
বাংলায় সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। সেই আবহে ক্রমশ রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে বঙ্গে। হনুমান ও শ্রীরামচন্দ্রকে সামনে রেখে বিভিন্ন সময় রাজ্যে প্রচার করে বিজেপি। হিন্দুত্ববাদের জিগির অতীতে দেখা গিয়েছে গেরুয়া শিবির নিয়ে। যদিও চলতি সময়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দেবী দুর্গা, কালীকে একাধিক বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলার মণীষীদেরও নামও সামনে আনা হয়েছে।
স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষা বাবা-ছেলে। নিজস্ব চিত্র
এবার সেই আবহে শান্তিপুরের লোকাল ট্রেনে দেখা গেল হনুমান ও রামচন্দ্রকে। এদিন সকালে স্টেশন চত্বরে দেখা যায় হুনুমানের সাজে এক ব্যক্তিকে। তাঁর সঙ্গে রয়েছে খুদে এক বালক। রামচন্দ্রের বেশে তাকে সাজানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। তিনি শান্তিপুর এলাকাতেই থাকেন। ছোট্ট ছেলেকে নিয়েই এই সাজে ব্রিগেডে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন তিনি। যেমন ভাবা, তেমন কাজ। নিজে হনুমানের বেশ ধারণ করেন। ছেলেকে কাঁধে নিয়ে স্টেশন চত্বরে হেঁটে ট্রেনে উঠতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। 'জয় শ্রীরাম' স্বরে মুখরিত হয়েছে শান্তিপুর স্টেশন চত্বর।
বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের দু'জনকে মধ্যমণি করে নেন। রামচন্দ্র ও হনুমানজিকে ট্রেনে জায়গা করে তাঁদের সঙ্গে ছবিও তুলতে দেখা যায় অনেককে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। সেজন্যও রাম, সীতা ও হনুমানজিকে সঙ্গে নিয়েই ব্রিগেডের পথে বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, রাম-সীতা ও হনুমানজি শুভ প্রতীক। কেবল শান্তিপুরই নয়, ব্রিগেডের ময়দান থেকে একাধিক ব্যক্তিকে হনুমানের বেশ, মুখোশ পরে যেতে দেখা গিয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর সংখ্যায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ব্রিগেডে গিয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা তো বটেই উত্তরবঙ্গ থেকেও বহু কর্মী-সমর্থকরা মোদির সভায় এদিন হাজির হন।
