পারিবারিক বিবাদ! স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন স্বামীর! বাঁচাতে এলে দাদার স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত। রবিবার দুপুরে ভয়ঙ্কর কাণ্ডটি ঘটেছে নদিয়ার শিমুরালিতে। অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
মৃতার নাম তিতু বিশ্বাস। বয়স ২৭ বছর। প্রায় দশ বছর আগে শিমুরালির বাসিন্দা অহীন্দ্র বিশ্বাসের সঙ্গে বিয়ে হয় নৈহাটির বাসিন্দা তিতুর। দম্পতির বছর আট-নয় কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গিয়েছে, পেশায় হাতুড়ে চিকিৎসক অহীন্দ্রের সঙ্গে তিতুর অশান্তি লেগেই ছিল। আজ, রবিবার সকালে সেই বিবাদ চরম আকার নেয়। সকালে বাজারে গিয়েছিলেন অভিযুক্ত। ফিরে আসার পর তিতুর সঙ্গে তাঁর ফের ঝামেলা বাঁধে।
অভিযোগ, সেই সময় স্ত্রীকে মারধর শুরু করে অহীন্দ্র। তারপরই ধারালো অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূর গলায় কোপ দেয় অভিযুক্ত। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন অভিযুক্তের দাদার স্ত্রী অর্পণা বিশ্বাস। অভিযোগ তাঁকেও কোপায় অহীন্দ্র। দুই বধূকে উদ্ধার করে কল্যাণী জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিতুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত অর্পণার চিকিৎসা চলছে।
মৃতা তিতুর মা অসীমা সরকার মা বলেন, "জামাই আমার মেয়েকে মেরেছে। মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। থানায় অভিযোগ জানাব।" গৃহবধূর বাবা বলেন, "ঝামেলা হত ফের মিটেও যেত। মেয়ে আমাকে বলত আমাদের সঙ্গে কথা বলতে দিত না জামাই। বললেই ঝামেলা হত। জামাই মেয়েকে মেরেছে।" অহীন্দ্রের বউদি অর্পণা বিশ্বাস বলেন, "চিৎকার শুনে ছুটি আসি। আমাকেও ধারালো অস্ত্রের কোপ মেরেছে।" ঘটনার পরই পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পরে তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্ত পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
