shono
Advertisement
Migrant Workers Death

জঙ্গলে পড়ে ক্ষতবিক্ষত দেহ! এবার চেন্নাইয়ে 'খুন' মালদহের পরিযায়ী শ্রমিক আলমগির

নিহত শ্রমিক মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দা, গত ৮দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বলে জানাচ্ছে পরিবার।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 10:44 AM Jan 22, 2026Updated: 12:21 PM Jan 22, 2026

এবার চেন্নাইতে রহস্যমৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant Workers Death)। আটদিন নিখোঁজ থাকার পর রেললাইনের ধারে জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল ক্ষতবিক্ষত দেহ। নিহত যুবক বছর উনত্রিশের আলমগির আলম। বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের মশালদহ বাজার এলাকায়। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবার খুনের অভিযোগ তুলেছে। আলমগির পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দুই সন্তানকে নিয়ে অথৈ জলে পড়েছেন স্ত্রী। চেন্নাই থেকে দেহ ফেরাতে স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছেন তিনি।

Advertisement

আলমগির পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দুই সন্তানকে নিয়ে অথৈ জলে পড়েছেন স্ত্রী।

মৃত পরিযায়ী শ্রমিক আলমগিরের ভাই আবু সামা জানান, চেন্নাইতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন দাদা। ৯ দিন আগে অন্য একটি কাজের জন্য তাঁর হায়দরাবাদ যাওয়ার কথা ছিল। চেন্নাই থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার জন্য ট্রেনে ওঠেন আলমগির। তার আগে স্ত্রী হাবানুর খাতুনের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন। কিন্তু তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোনেও যোগাযোগ করা যায়নি। আলমগিরের সহকর্মীরা স্থানীয় থানায় তাঁর নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়েওছিলেন। টানা আটদিন এভাবেই কেটেছে। তারপর চেন্নাইয়ের যে স্টেশন থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তার পরবর্তী স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় রেললাইনের ধারে জঙ্গল থেকে আলমগিরের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়।

চেন্নাইতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন দাদা। ৯ দিন আগে অন্য একটি কাজের জন্য তাঁর হায়দরাবাদ যাওয়ার কথা ছিল। চেন্নাই থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার জন্য ট্রেনে ওঠেন আলমগির। তার আগে স্ত্রী হাবানুর খাতুনের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন। কিন্তু তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

এই খবর বুধবার রাতে বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা। আলমগিরের উপর নির্ভর করেই চলত গোটা সংসার। ছোট দুই সন্তান রয়েছে তাঁর। গভীর শোকের মাঝেই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আলমগিরের স্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দাদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে অসহায় পরিবার। দেহ কীভাবে বাড়িতে ফিরবে তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। যদিও স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে আলমগিরের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement