বাবা গত হয়েছেন বছর পাঁচেক হল। তারপর মা-ও বাড়ি ছেড়েছেন। দিদি ব্যস্ত নিজের সংসারে, দাদা পরিযায়ী শ্রমিক। বাড়িতে একাই থাকত, নিজেই দুটো ফুটিয়ে খেত। আচমকা মর্মান্তিক পরিণতি কিশোরীর। শুক্রবার সকালে ঘর থেকে উদ্ধার হল নবম শ্রেণির ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ।
নদিয়ার শান্তিপুর থানার অন্তর্গত গোপালপুর দরগাতলা এলাকার ঘটনা। প্রতিবেশীদের দাবি, বৃহস্পতিবার তার পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা ভালো দিয়েছিল বলে প্রতিবেশীরা জানায়। শুক্রবার সকালে দীর্ঘক্ষণ ঘর থেকে কোনও সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তারা দেখেন ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কি করে শেষমেষ দরজা ভাঙেন প্রতিবেশীরা। ঘরের মধ্যে কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ দেখে আঁতকে ওঠেন। খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
স্থানীয়দের একাংশের মতে, ফোন তদন্ত করলে অস্বাভাবিক মৃত্যুর আসল কারণ জানা যেতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
