পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাব ভারতে জ্বালানি ও গ্যাসের আমদানিতে পড়েছিল। গার্হস্থ ও বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই আবহে এবার বেআইনি গ্যাসের কারবারের পর্দাফাঁস হল। বর্ধমানের জামালপুরে হানা দেয় পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা। সেই অভিযানে উদ্ধার প্রচুর ডোমেস্টিক সিলিন্ডার। ঘটনায় গ্রেপ্তার কারবারি। আর কারা এই ঘটনায় জড়িয়ে? কারা এলাকায় এভাবে অসাধু উপায়ে কারবার চালাচ্ছে? সেই খোঁজও চলছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর এসেছিল পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর থানার জৌগ্রামের রানাপাড়ায় রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের কালোবাজারি হচ্ছে! আজ, শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা সেখানে অভিযান চালায়। গ্যাসওভেন সারানো ও পার্টস বিক্রির দোকানের আড়ালে ওই বেআইনি সিলিন্ডারের কারবার চলছিল! অভিযানেই পর্দাফাঁস হয়।
কিন্তু কীভাবে ওই কারবার চলত? জানা গিয়েছে, ডোমেস্টিক এলপিজি গ্যাসের ভর্তি সিলিন্ডার সাধারণের অগোচরে সেখানে নিয়ে আসা হত! ১৪ কেজি সিলিন্ডার থেকে পাঁচ কেজির সিলিন্ডারে ওই কাটিং গ্যাস ভরা হত! সেই পাঁচ কেজির সিলিন্ডার চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছিল বাজারে! দীর্ঘ সমজয় ধরে ওই কারবার চলছিল বলে অভিযোগ। এদিনের অভিযানে শক্তিপদ বিশ্বাস নামে ওই বেআইনি কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৪ কেজির ১৭টি সিলিন্ডার, পাঁচ কেজির ৭টি সিলিন্ডার। এছাড়াও মিলেছে গ্যাস ভরার একটি কাটিং মেশিন ও ওজন করার যন্ত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও এই দোকানে হানা দিয়েছিল দুর্নীতি দমন শাখা। কিন্তু আগাম আঁচ পেয়ে সে পালিয়েছিল। এবার বমাল গ্রেপ্তার হল। কিন্তু ডোমেস্টিক গ্যাসের সিলিন্ডার কীভাবে সেখানে পৌঁছে যায়? কোন চক্র তার সঙ্গে জড়িয়ে? সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
