নাবালিকা পরিচারিকাকে খুনের অভিযোগ মালিক ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। খুনের পর দেহ গোডাউনে লুকিয়ে রাখারও অভিযোগ উঠেছে। খুনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ বীরভূমের সাঁইথিয়া। থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান উত্তেজিত জনতা।
নাবালিকা সাঁইথিয়া দু'নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পঙ্কজ পারেখের বাড়িতে বছর দু'য়েক ধরে কাজ করত। সে দেরিয়াপুর অঞ্চলের কাঞ্চননগর বাগডোলা এলাকার বাসিন্দা। গ্রামেরই এক মহিলার সূত্র ধরে সে ওই বাড়িতে কাজ করতে আসে। পঙ্কজদের বাড়িতেই থাকত সে।
পরিবারের দায়ের করা অভিযোগপত্র।
পরিবারের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা নাগাদ ওই বাড়িতে কাজ করা লিপী বাউরি ফোন করে জানান, নাবালিকা অসুস্থ। নিয়ে যাওয়া হয়েছে সাঁইথিয়া হাসপাতালে। আরও দাবি, সেখানে গেলে জানানো হয় নাবালিকাকে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে টোটো ভাড়া করে রামপুরহাট যাওয়ার কথা হয়। তবে টোটোটি মদনপুর এলাকার জৈন মার্বেলের নামে একটি দোকানের গোডাউনের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখান থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। মালিক পঙ্কজ ও তাঁর ছেলে শ্রেয়াসের বিরুদ্ধের নাবালিকাকে খুনের অভিযোগ করেছে নাবালিকার পরিবার।
অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ, শুক্রবার সকালে পথ অবরোধ করে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। পরে অবরোধ উঠে যায়। এরপর সাঁইথিয়া থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।
