রাতের জঙ্গলের হাতছানি। বন্ধুবান্ধবরা জঙ্গলের পথে কিছুটা সময় কাটাবেন ভেবেছিলেন। তবে লাটাগুড়ির জঙ্গলের পথে ডুয়ার্সের মৌলালি সেতুতে ঘোর বিপত্তি। পথকুকুরকে পাশ কাটাতে গিয়ে মৃত্যু ইঞ্জিনিয়ার তরুণী ও তাঁর বান্ধবীর। জখম গাড়ির চালক-সহ আরও চার যাত্রী। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বৃহস্পতিবার রাতে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) থেকে লাটাগুড়ি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি (Road Accident) ঘটে। মৌলালি সেতুর উপর পথকুকুরকে পাশ কাটাতে গিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইঞ্জিনিয়ার তরুণী। পৌলমী বাগচি নামে ওই তরুণী জলপাইগুড়ির আনন্দপাড়ার বাসিন্দা। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে ছিলেন পৌলমীর বান্ধবী খেয়ালী বর্মন এবং সায়ন সরকার। সায়ন জলপাইগুড়ি শহরের সরকার পাড়ার বাসিন্দা। গাড়িচালকও জখম হয়েছেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত সকলকে উদ্ধার করে ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিশ। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের। সেখানেই ইঞ্জিনিয়ার তরুণী পৌলমী ও তাঁর বান্ধবী খেয়ালী বর্মনকে মৃত বলে জানান চিকিৎসকরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) থেকে লাটাগুড়ির জঙ্গল পথে যেতে সময় লাগবে ৩০ মিনিট। তাই অনেকেই রাতের জঙ্গলপথের রোমাঞ্চ উপভোগ করতে যান অনেকেই। বহু আরোহী রাতের জঙ্গলে নেশা করেন গাড়ি চালাচ্ছেন। তার ফলে বিপদ ঘটছে। অনেকেরই অনুমান, এই দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেও হয়তো একইরকম ঘটনা ঘটেছে। সে কারণে সম্ভবত এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে আটক করেছেন তদন্তকারীরা।
এদিকে, শুক্রবার বেলা ১১টা নাগাদ রাজারহাটের শিখরপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ইমারতি নির্মাণের মশলাবাহী এলিপিজি গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় বছর বারোর বালক। নিহত রোহিত বিশ্বাস বড বাগু এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার পাশ দিয়েই সে যাচ্ছিল। এমন সময় পিছন থেকে বড় এলপিজি গাড়ি ধাক্কা মেরে চলে যায়। ঘাতক গাড়িটিকে নিয়ে চম্পট দিয়েছে বলে জানা যায়। অন্য একটি এলপিজি গাড়ি শিখরপুরে আটকে রাখা হয় বলেই খবর।
