shono
Advertisement
Tarakeswar

নিরাপত্তায় কড়াকড়ি, শ্রাবণী মেলায় হকারদের বসতে বাধা! বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব দলের নেতারাই

বিজেপি বিধায়ক সন্তু পানের সিদ্ধান্ত ও ভূমিকা নিয়ে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। তাতে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা-নেত্রীরাও। 
Published By: Subhankar PatraPosted: 05:40 PM Jul 24, 2026Updated: 06:10 PM Jul 24, 2026

 

Advertisement

অহেতুক কড়া নিরাপত্তা। স্থানীয় হকারদের বসতে না দেওয়া। ভাতে মারার অভিযোগ। তারকেশ্বরে  শ্রাবণী মেলাকে কেন্দ্র করে জনরোষ। বিজেপি বিধায়ক সন্তু পানের সিদ্ধান্ত ও ভূমিকা নিয়ে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। তাতে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা-নেত্রীরাও। 

জাতীয় মেলার মর্যাদা পাওয়ার পরই তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলাকে কেন্দ্র কের অহেতুক নিরাপত্তার কড়াকড়ি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ব্যারিকেডে জেরে জেরবার জলযাত্রী থেকে স্থানীয় মানুষ। পাশাপাশি শ্রাবণী মেলাকে সামনে রেখে যাঁরা হকারি করেন, তাঁদেরও জোর করে তুলে দেওয়ার অভিযোগ। ফলে সরাসরি এলাকার মানুষের পেটে লাথি মারা হচ্ছে দাবি।  তাতেই শুক্রবার সাধারণের একাংশ থানার সামনে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। আন্দোলনে সামিল বিজেপিরই একাধিক নেতানেত্রীরা। তাঁরা সরাসরি তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন।

আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি গণেশ চক্রবর্তী বলেন, "যখন ভিড় নেই তখন কেন লকগেট ফেলে রাখা হচ্ছে। এতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। পরে যখন খোলা হচ্ছে, মানুষ হুড়োহুড়ি করে এগিয়ে যাচ্ছে। দোকানের মধ্যে গিয়ে পড়ছে। পদপিষ্টের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।" হকারদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "তিন সপ্তাহের মেলাতে ৮ মাস সংসার চলবে। গরিবের পেটে লাথি মারা হচ্ছে। তাঁরা বলছে এ কী হল? একই তৃণমূলই রয়ে গেল। সেই উত্তম কুন্ডু রয়ে গেল। তার নেতৃত্বে মানুষের পেটে লাথি। গরিব মানুষ দোকান সাজিয়ে বসেছে। সেখান লাথি। তা আমরা মেনে নিতে পারিনি। তাই আমরা সাধারণ মানুষের ডাকে এসেছি। এটা আমরা বরদাস্ত করব না। আগে জনগণ, তারপর রাজনীতি।"

খোদ বিজেপি সহ সভাপতির অভিযোগ, তৃণমূল জমানার ধাঁচে কেউ কেউ তোলাবাজি করছে। তিনি বলেন, "দোকান দেওয়া যাবে না বলা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছে টাকা দাও ব্যবস্থা করব। তৃণমূল আমলে যেমন তোলাবাজি হয়েছিল। কেউ কেউ সেই কাজ করছে। খুব দুঃখ লাগে। পুলিশকে বলে কিচ্ছু হচ্ছে না। বাধ্য হচ্ছি রাস্তায় নেমেছে। তিন দিনের যোগী আমাদের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। এ জিনিস আমরা চাইনি। নিজের রক্ত দিয়ে এখানে বিজেপিকে তৈরি করেছি।"

সাধারণের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন তারকেশ্বর টাউন মণ্ডলের মহিলা সভাপতি লিজা চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, "ছোট বলা থেকে এই রকম মেলা দেখিনি। বিধায়কবাবু যা করছে, তা ঠিক হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেননি, সাধারণ মানুষের পেটে লাথি মেরে মেলাকে নতুন রূপ দিন। বিধায়ক এতটাই ব্যস্ত সাধারণে সঙ্গে দেখা করার তাঁর সময় নেই।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement