shono
Advertisement

নয়া ভবনে ঠাঁই হয়নি দেবদেবীর, বিষাদে বহরমপুর থানার পুলিশ

পুরানো থানাতে এখনও চলছে পুজো। The post নয়া ভবনে ঠাঁই হয়নি দেবদেবীর, বিষাদে বহরমপুর থানার পুলিশ appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 09:23 AM Dec 07, 2017Updated: 05:54 PM Sep 20, 2019

কল্যাণ চন্দ্র, বহরমপুর: থানার স্থান পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু নতুন ভবনে মা কালী-সহ অন্যান্য দেবদেবীর মূর্তি নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। আর তাই পুজোর প্রসাদ ঠিকমতো না পেয়ে রীতিমতো বিষাদগ্রস্থ বহরমপুর থানার পুলিশ কর্মীরা। শুনতে কিছুটা অবাক হলেও এমনটাই ঘটেছে। আর পুলিশকর্মীদের দেবদেবীর প্রতি এই ভক্তিই নজর কেড়েছে এলাকাবাসীর। আর এদিকে, নতুন ভবনে ঠাঁই না পেয়ে পুরনো ভবনেই রয়ে গেলেন মা কালী-সহ নানা দেবদেবীর ছবি ও মূর্তি।

Advertisement

[আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা, রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাসও]

জানা গিয়েছে, ব্রিটিশ আমলে তৈরি হয়েছিল বহরমপুর থানা। ১৮৭২ সালে এই থানা তৈরি করেছিল ইংরেজরা। সেই থেকেই বহরমপুর থানা রয়ে গিয়েছে বহরমপুর ব্যারাক স্কোয়ার ময়দানের পিছনে। থানার ভিতর ছোট একটি ঘরে কষ্টি পাথরের মা কালী, নারায়ণ, জগন্নাথ-সুভদ্রা-সহ সাত-আটটি ঠাকুরের পুজো করতেন গোরাবাজার মন্দিরের পুরোহিত গঙ্গা ঠাকুর। শহরের জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে পুলিশ কর্মীও। কিন্তু থানার কোনও সংস্কার হয়নি। মান্ধাতা আমলের চুন-সুরুকির দেওয়াল খসে খসে পড়ছিল। বর্ষার সময় ছাদ চুঁয়ে জল পড়ায় কষ্টে ভুগতে হত কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদেরও। তবে শত কষ্টেও মায়ের পুজো হত প্রতিদিন দু’বেলা করে। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় পুজোর পর মায়ের প্রসাদ তুলে দেওয়া হত পুলিশ কর্মীদের হাতে। অবশেষে সেই থানার স্থান পরিবর্তন করে বিশাল এলাকা জুড়ে প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে নতুন থানা। বহরমপুর বাসট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় নবনির্মিত ভবনে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন পুলিশ অফিসাররা। কিন্তু সেই ভবনে কোনও মন্দির না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন থানার পুলিশ কর্মীরা। পুরনো থানা থেকে যাবতীয় মালপত্র নিয়ে আসা হলেও নিয়ে যাওয়া হয়নি ঠাকুরের মূর্তিগুলি। তবে পুরোহিতকে ডেকে পুরনো থানাতেই মায়ের পুজো চলছে নিত্যদিন।

[আইনজীবীর স্বামী পাকা চোর, টার্গেট রেলযাত্রীদের ল্যাপটপ]

পুজোর পর ভিড় ঠেলে হাফ কিমি দূরে পুরোহিত মশাই প্রতিদিন প্রসাদ নিয়ে যাচ্ছেন নতুন ভবনে, এমনটাই জানিয়েছেন বহরমপুর থানার আইসি সনৎ দাস। তবে কাজের চাপে প্রতিদিন মায়ের প্রসাদ জোটে না বলেও আক্ষেপ রয়েছে তাঁর। তিনি জানিয়েছেন, ভাল দিন দেখে মায়ের মূর্তি নিয়ে আসা হবে নতুন ভবনে। মন্দির না থাকায় দোতলার একটি ঘরে আপাতত রাখা হবে ঠাকুরের মূর্তিগুলিকে। ভবিষ্যতে মন্দির হলে সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হবে মা’কে। জানিয়েছেন ওই আইসি।
ছবি: প্রতিবেদক

[সস্তায় ২০ হাজারে বাইক কিনেছেন? ঠিকানা হতে পারে শ্রীঘর]

The post নয়া ভবনে ঠাঁই হয়নি দেবদেবীর, বিষাদে বহরমপুর থানার পুলিশ appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার