পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রফুল্লচন্দ্র সেন (Prafulla Chandra Sen)। জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৮৯৭, বর্তমান বাংলাদেশের খুলনা জেলার সেনহাটিতে। ১৯২১ সালে গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলন তাঁর জীবন বদলে দিয়েছিল। গান্ধীজির রাজনৈতিক আদর্শকেই সারাজীবন বহন করেছেন।
শিক্ষকতা করেছেন হুগলির স্কুলে। হুগলি জেলার আরামবাগে সে সময়ে ম্যালেরিয়ার প্রবল প্রকোপ। তবু সেখানেই জীবনের দীর্ঘ ৬০ বছর কাটান প্রফুল্লচন্দ্র সেন। জনসাধারণের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন ‘আরামবাগের গান্ধী’ নামে।
১৯৪৮ সালে ড. বিধানচন্দ্র রায়ের মন্ত্রিসভায় তিনি যোগ দেন অসামরিক সরবরাহ দফতরের মন্ত্রী হিসেবে। বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর পর, ২ জুলাই, ১৯৬২ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।
তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল কাঁথি ও তমলুকে হওয়া ‘লবণ আইন অমান্য আন্দোলন’, ১৯৪০ সালের ‘সত্যাগ্রহ আন্দোলন’ এবং ১৯৪২ সালের ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের জন্য। ১৯৪৮ সালে ড. বিধানচন্দ্র রায়ের মন্ত্রিসভায় তিনি যোগ দেন অসামরিক সরবরাহ দফতরের মন্ত্রী হিসেবে। বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর পর, ২ জুলাই, ১৯৬২ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।
১৫ মার্চ, ১৯৬৭ পর্যন্ত এই পদেই বহাল থাকেন। ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯০, ৯৩ বছর বয়সে তাঁর জীবনবসান হয়।
