ত্রিকোণ প্রেমের জের! বন্ধুর হাতে খুন দশম শ্রেণির ছাত্র। দিন দুয়েক নিখোঁজ থাকার পর শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিগাড়ার চা বাগান থেকে উদ্ধার হল যুবকের রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০২ ও ২০১ ধারায় মামলা রজু করছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মৃত নাবালক মাটিগাড়ির শিমুলতলার বাসিন্দা। দশম শ্রেণিতে পড়ত সে। শনিবার সকাল থেকেই বেপাত্তা সে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিলেও তার সন্ধান পায়নি। অবশেষে মাটিগাড়া থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। তাতেও লাভ হয়নি। এরপর পুলিশি তদন্তের গাফিলতির অভিযোগ তুলে থানায় বিক্ষোভ দেখায় নাবালকের পরিবার। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় মোবাইল ও কল রেকডিং ট্র্যাকিং।
পুলিশ সুত্রে খবর, এরপরই নাবালকের এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তাতে প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, শনিবার তাঁদেরই বন্ধু রাজ পাসোয়ান (বয়স ২৪) নিখোঁজ নাবালককে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে প্রথমে দুজনের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি হয়। রাজ রীতিমতো ঘায়েল করে সেই নাবালককে। পুলিশি অনুমান, মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় বেল্ট পেঁচিয়ে সেই নাবালককে হত্যা করে সে। গোটা ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ছিল আরও এক নাবালক। ফোন রেকর্ডিংয়ের সুত্র ধরে দ্বিতীয় নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদে পরই সোমবার গভীর রাতে সুকনার চা বাগান থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়৷ ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ পাঠানো হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।
প্রথমে দুজনের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি হয়। রাজ রীতিমতো ঘায়েল করে সেই নাবালককে। পুলিশি অনুমান, মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় বেল্ট পেঁচিয়ে সেই নাবালককে হত্যা করে সে। গোটা ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ছিল আরও এক নাবালক। ফোন রেকর্ডিংয়ের সুত্র ধরে দ্বিতীয় নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদে পরই সোমবার গভীর রাতে সুকনার চা বাগান থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়৷
কিন্তু কেন এই নৃশংসতা? জানা যাচ্ছে, ঘটনার নেপথ্যে ত্রিকোণ প্রেম। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় এক নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত রাজ পলাতক। তার খোঁজে চলছে চলছে তল্লাশি। এবিষয়ে ডিসিপি রাকেশ সিং বলেন, "আমাদের অনুমান মাঝে বান্ধবীকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা। যেহেতু ধৃত নাবালক তাই আজ তাকে জুভেনাইল কোর্টে পেশের পর দার্জিলিংয়ের হোমে নিয়ে যাওয়া হবে৷ সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷ গোটা ঘটনা তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।"
