রাখি পূর্ণিমার দিন নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তারই পিসতুতো দাদার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গতকাল, শুক্রবার রাতেই ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ওই নাবালিকা এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি বলে খবর।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল, বেলা একটা থেকে দেড়টার মধ্যে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান। রাখি পূর্ণিমার দিন পরিবারের সকলেরই ব্যস্ততা ছিল। আত্মীয়রাও হাজির হয়েছিলেন। ১২ বছর বয়সী ওই কিশোরী পিসতুতো দাদা মণ্টুর ঘরে গিয়েছিল। একা পেয়ে ওই নাবালিকার উপর নির্যাতন চালায় ওই যুবক! জানা গিয়েছে, মন্টু ও নাবালিকা একই বাড়িতে থাকে।
নির্যাতনে ওই নাবালিকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। পরিবারের সদস্যরা তাকে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে পরিবারের তরফে জানানো হয়, পাঁচিল থেকে পড়ে গিয়ে শিশুটি আহত হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই কিশোরীও প্রথমে কিছু বলেনি। গতকাল সন্ধ্যায় ওই নাবালিকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। রক্তপাতও শুরু হয়। দ্রুত ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে ফের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেসময় চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়। ওই কিশোরীর কাছে সম্পূর্ণ ঘটনা জানতে চাওয়া হয়। তখনই নির্যাতনের কথা জানায় নির্যাতিতা।
এরপরেই শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় পরিবারের তরফে। অভিযোগ পেয়ে দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় ধৃতকে। আজ, শনিবার ধৃতকে রানাঘাট আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁকে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। বর্তমানে নাবালিকাটি শান্তিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ওই কিশোরীর পরিবার।
