সামনেই রঙের উৎসব! সপ্তাহান্তে ছুটির সঙ্গে এবার দোলের ছুটি যোগ হয়েছে। বসন্ত উৎসবের আমেজ গায়ে মাখতে বঙ্গবাসীর নজর এখন সৈকত শহর দিঘার দিকে। ফলে এবার দোলে রেকর্ড ভিড়ের সম্ভাবনা সৈকত শহর দিঘায়। আর সেদিকে নজর রেখেই সেজে উঠছে সৈকত শহর। দিঘার সমুদ্র পাড়ে রঙের উৎসবে একদিকে যেমন মেতে ওঠার সুযোগ, অন্যদিকে বাড়তি পাওনা নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দির। দোল উপলক্ষে সেখানে বিশেষ প্রার্থনা ও উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ভিড়কে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশের তরফেও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৩ মার্চ, মঙ্গলবার দোল পূর্ণিমা। পরের দিন অর্থাৎ বুধবার হোলির ছুটি। ক্যালেন্ডারের ফেরে এবার শনি থেকে বুধ—টানা লম্বা ছুটির হাতছানি। শহরের কোলাহল ছেড়ে দু-দণ্ড শান্তির খোঁজে বেরিয়ে পড়ার এটাই সেরা সুযোগ। আর সেই সুযোগ কেউ ছাড়তে চায়! ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার আগেই দিঘার অধিকাংশ হোটেলের ঘর প্রায় ৭০ শতাংশ বুক হয়ে গিয়েছে। যা অবশ্যই পর্যটকদের কাছে 'দুঃসংবাদ'! তবে ভিড়ের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই সাজো সাজো রব পূর্ব মেদিনীপুরের এই পর্যটন কেন্দ্রে। পর্যটকদের জন্য থাকছে একগুচ্ছ ব্যবস্থা।
যেমন ওল্ড দিঘার সমুদ্র পাড়ে দোল উৎসবের আয়োজন করেছে পূর্ব মেদিনীপুর প্রেস ক্লাব। যেখানে পর্যটকেরা রং খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সেজে উঠছে জগন্নাথ মন্দিরও। আর দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে তো মন্দিরে থাকছে বিশেষ পুজো দেখার সুযোগ। ট্রাস্ট কমিটি সূত্রে খবর, দোল উৎসব উপলক্ষে মন্দিরে বিশেষ পুজোর পাশাপাশি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পর্যটকদের ভিড় সামলাতে মন্দির চত্বরেও থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা।
ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার আগেই দিঘার অধিকাংশ হোটেলের ঘর প্রায় ৭০ শতাংশ বুক হয়ে গিয়েছে। যা অবশ্যই পর্যটকদের কাছে 'দুঃসংবাদ'! তবে ভিড়ের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই সাজো সাজো রব পূর্ব মেদিনীপুরের এই পর্যটন কেন্দ্রে। পর্যটকদের জন্য থাকছে একগুচ্ছ ব্যবস্থা।
তবে শুধু দিঘা নয়, মন্দারমনি, তাজপুরের একাধিক হোটেলও প্রায় বুকিং হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এমনকী সেখানের একাধিক হোটেলেও রঙ খেলা-সহ একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে খবর। দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, দোলের সময় পর্যটকদের ঢল নামে। এবার জগন্নাথ মন্দির পর্যটকদের কাছে বাড়তি পাওনা। তাই এবার রেকর্ড ভীড় হবে দিঘায়। এখন থেকেই হোটেল বুকিং শুরু হয়েছে। এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সৈকতজুড়ে মোতায়েন থাকছে বাড়তি পুলিশ বাহিনী। বিশেষ নজরদারি চালানো হবে নুলিয়াদের মাধ্যমেও।
