যুদ্ধ আবহে জ্বালানি সংকট। আর তারই জেরে অপ্রতুল রান্নার গ্যাস। যার জেরে সর্বত্র উঠেছে ‘গ্যাসের ব্যথা’। আঁচ পড়েছে তমলুকের বর্গভীমা মন্দিরের ভোগ বিতরণেও। সতীর ৫১ পীঠের এক পীঠ এই মন্দির। প্রত্যেকদিন ৫০০ থেকে ৮০০ মানুষ মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু সেখানেও গ্যাসের ভাণ্ডারে টান! মন্দির কতৃপক্ষের দাবি, পরিস্থিতি ঠিক না হলে আগামী ২১ মার্চের পর থেকে সাধারণ ভক্তদের জন্য মিলবে না মায়ের ভোগ। অন্যদিকে ভক্তদের জন্যে বাগবাজার মায়ের বাড়িতেও ভোগ দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়েও বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
গ্যাসের অভাবে একাধিক হোটেল, রেস্তরাঁ বন্ধের উপক্রম। শুধু শহরে নয়, জেলাতেও আঁচ পৌঁছেছে। বুধবার সকাল থেকে প্রত্যেক জায়গাতেই গ্যাসের জন্য হাহাকার। লম্বা লাইন গ্যাস বুকিংয়ের জন্য। এই অবস্থায় বর্গভীমা মন্দির কমিটির এক সদস্য শিবাজী অধিকারী বলেন, ''আগে ভক্তরা কাঠ নিয়ে আসত। সেই কাঠেই রান্না হতো। কিন্তু মন্দিরের নতুন ভোগ ঘরে গ্যাসের মাধ্যমে রান্না হয়। গ্যাস সিলিন্ডারের উপরেই সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।''
ওই সদস্যের কথায়, ''এই অবস্থার মধ্যে মায়ের নিত্যভোগের ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেকদিন ৫০০, ৬০০, এমনকী ৮০০ ভক্ত টিকিট কেটে ভোগ নেন। ক্রমশ গ্যাসের ভান্ডার শেষ হচ্ছে। ডিলারের কাছ থেকে গ্যাস চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।'' ফলে ২০ মার্চের পর থেকে ভোগ বিতরণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে অনিশ্চিত শিবাজী অধিকারী। তাঁর কথায়, ভোগের জন্য যারা আগাম বুকিং করেছিলেন তাঁদেরকেও এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। যদি গ্যাস পাওয়া যায় তারপর পুনরায় আবার ভক্তদের জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষ প্রসাদের ব্যবস্থা করবে বলে জানানো হয়েছে।
ওই সদস্যের কথায়, ''এই অবস্থার মধ্যে মায়ের নিত্যভোগের ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেকদিন ৫০০, ৬০০, এমনকী ৮০০ ভক্ত টিকিট কেটে ভোগ নেন। ক্রমশ গ্যাসের ভান্ডার শেষ হচ্ছে। ডিলারের কাছ থেকে গ্যাস চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।'' ফলে ২০ মার্চের পর থেকে ভোগ বিতরণ কতটা সম্ভব তা নিয়ে অনিশ্চিত শিবাজী অধিকারী।
আর এহেন সিদ্ধান্তে রীতিমতো আশাহত ভক্তরা। তাঁদের কথায়, আমরা অনেক আশা নিয়ে অনেক দূর দুরান্ত থেকে মায়ের ভোগ পাওয়ার আশায় আসি, যদি না ভোগ পাই নিরাশ হয়ে বাড়ি যাব। তাই দ্রুত রান্নার গ্যাস নিয়ে চলা জটিলতার সমাধান করে ভোগের ব্যবস্থা করার দাবি ভক্তদের।
