shono
Advertisement
fishermen

সমুদ্রে নজরদারির পরিধি বৃদ্ধি, মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তায় ট্রলারে 'ট্রান্সপন্ডার' বসাচ্ছে রাজ্য সরকার

ট্রান্সপন্ডার মেশিনের মাধ্যমে সমুদ্রের ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নজরদারি করা সম্ভব।
Published By: Subhankar PatraPosted: 12:40 PM Jul 22, 2026Updated: 12:56 PM Jul 22, 2026

মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত করতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর দিয়েছে রাজ্য মৎস্যদপ্তর। সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির 'টু ওয়ে এমএসএস ট্রান্সপন্ডার' মেশিন বসানোর উপরে জোর দিয়েছে মৎস্য দপ্তর। ট্রান্সপন্ডার হল ওয়‍্যারলেস ট্র্যাকিং ডিভাইস। যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে সমুদ্রে যাওয়া ট্রলারের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ট্রলারে বসানো এই যন্ত্রের মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

Advertisement

ট্রান্সপন্ডার মেশিনের মাধ্যমে সমুদ্রের ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নজরদারি করা সম্ভব। পাশাপাশি সমুদ্রের কোন অংশে বেশি বা কম মাছ আছে কিংবা কচ্ছপের অবস্থান আছে সেই তথ্যও জানতে পারবেন মৎস্যজীবীরা। দিঘা-মোহানা উপকূলে দেড় হাজারের বেশি লঞ্চ ও ট্রলার রয়েছে। এখনও পর্যন্ত শঙ্করপুর ও দিঘার দুশোর বেশি ট্রলারে এই মেশিন বসানো হয়েছে। কাঁথি মৎস্য দপ্তরের সহ-মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) সুমন সাহা বলেন, "প্রতিটি ট্রলারে অত্যাধুনিক ডিভাইস বসানো থাকবে। মৎস্যজীবীদের মোবাইলে বিশেষ অ্যাপ ইনস্টল
থাকবে। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগেও এই ডিভাইস কাজ করবে।"

উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই শঙ্করপুর থেকে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলার-সহ মৎস্যজীবী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে। সাধারণত, মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলির উপরে নজরদারি ও তাদের অবস্থান জানার জন্য ওয়‍্যারলেস ও জিপিএস সিস্টেমের উপর নির্ভর করতে হয়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত শঙ্করপুরের ওই ট্রলারটিতে এই ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও গত ৬ জুলাই থেকে ট্রলারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পাঁচদিন পরে ট্রলারটিকে কাকদ্বীপের বাঘেরচরের কাছে উল্টানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ট্রলার থেকে এখনও পর্যন্ত ১১টি পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে, চারজনের সন্ধান মেলেনি। তারপরই নিরাপত্তা জোরদার করতে নয়া সিদ্ধান্ত নিল মৎস্যদপ্তর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement